ব্রেকিং নিউজ

করোনায় মৃত ব্যক্তির দাফন করার নিয়ম

করোনায় মৃত ব্যক্তির দাফন

বিশ্বব্যাপী মহামারী রূপ নিয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এরই মধ্যে বিশ্বের ১৭২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাসটি। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৫৭ মানুষ। এতে মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৭৯১ জনের। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে ভুগছে বিশ্ববাসী।

এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও বাংলাদেশেও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি একজন বৃদ্ধ, বয়স ৭০ বছরেরও বেশি।এদিকে, করোনাভাইরাসে মৃতদের গোসল, জানাজা ও দাফনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যববস্থাপনা বিশেষজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত মেজর একেএম শাকিল নেওয়াজ।

গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অন্যান্য দুর্যোগের তুলনায় করোনা আলাদা হওয়ায় সেই অনুসারে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গোসল-জানাজা-দাফনে যারা অংশগ্রহণ করবে তাদের নিরাপত্তামূলক পোশাক পরে অংশ নেওয়া উচিৎ। কারণ মৃত ব্যক্তি কিন্তু অলরেডি করোনা ভাইরাসের হটস্পট। যারাই যাবেন, নিরাপত্তামূলক পোশাক পরতে হবে এবং আসার সময় সেই পোশাক নষ্ট করে দিয়ে তাদের বেরিয়ে আসতে হবে। নয়তো ওই ড্রেসগুলোর ভেতর ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা আছে।

যেসব উপসর্গে পরীক্ষার প্রয়োজন নেই

করোনাভাইরাসের অন্যতম একটি উপসর্গ হচ্ছে জ্বর। কিন্তু জ্বর হলেই করোনাভাইরাসের পরীক্ষা না-করার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী। তার মতে, অতিরিক্ত পরীক্ষা ভবিষ্যতে বিপদ বাড়াবে। কেননা চাহিদার তুলনায় করোনা পরীক্ষার কিট অপ্রতুল।ডা. দেবী শেঠীর মতে, “যদি কারও ফ্লু বা সর্দি থাকে, প্রথমে নিজেকে আইসোলেশন করে লক্ষণ ভালো করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রথম দিন শুধু ক্লান্তি আসবে। তৃতীয় দিন হালকা জ্বর অনুভব হবে। সঙ্গে কাশি ও গলায় সমস্যা হবে। পঞ্চম দিন পর্যন্ত মাথায় যন্ত্রণা হবে। পেটের সমস্যাও হতে পারে। ষষ্ঠ বা সপ্তম দিনে শরীরে ব্যথা বাড়বে এবং মাথার যন্ত্রণা কমতে থাকবে। তবে পেটের সমস্যা থেকেই যাবে। অষ্টম ও নবম দিনে সব লক্ষণই চলে যাবে। তবে সর্দির প্রভাব বাড়তে থাকে। এর অর্থ আপনার প্রতিরোধক্ষমতা বেড়েছে এবং আপনার করোনা-আশঙ্কা নেই।”

এই চিকিৎসক বলেছেন, ‘এসব ক্ষেত্রে আপনার করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। কারণ শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে। তবে যদি অষ্টম বা নবম দিনে আপনার শরীর আরও খারাপ হয়, করোনা-হেল্পলাইনে ফোন করে অবশ্যই পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে।” তথ্যসূত্র: এই সময়

মন্তব্য করুন

সাম্প্রতিক প্রকাশনা সমূহ

   সাম্প্রতিক খবর



»