ব্রেকিং নিউজ

ঘোড়ার মাংস বিক্রির করায় একজনকে আটক করছে পুলিশ

ঘোড়ার মাংস খাওয়া

দিনাজপুরের বিরলে ঘোড়া জবাই করে মাংস খাওয়া ও বিক্রির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার সকালে বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপি’র কাজীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। আটক রায়হান (২২) বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপি’র কাজীপাড়া গ্রামে আব্দুল কাইয়ুমের ছোট ভাই এবং আব্দুল গণির ছেলে। স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে বিরলের কাজীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও একই গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের নেতৃত্বে প্রায় ২ মাস আগে কেনা একটি ঘোড়া ওই গ্রামে জবাই করা হয়। এরপর নিজেরা ওই ঘোড়ার মাংস নিয়ে বাকী মাংস ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। 

এদিকে ঘোড়া জবাইয়ের পর থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। ঘোড়ার মাংস খাওয়া হালাল না হারাম নাকি জায়েজ আছে কি-নাই, এনিয়ে চলে জনমনে নানা জল্পনা-কল্পনা। 

বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. ফজলুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বহির্বিশ্বে ঘোড়ার মাংস মানুষ খায়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে কোন বাধা না থাকলে ঘোড়ার মাংস মানুষ দেহের কোন ক্ষতি করবে না। 

বিরল থানার ওসি এটিএম গোলাম রসূল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এলাকাবাসীর মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা ঘটনাস্থল থেকে আব্দুল কাইয়ুমের ছোট ভাই রায়হানকে আটক করেছি। ঘোড়া জবাইয়ে নেতৃত্বদানকারী কাজীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও একই গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম ঘটনা জানাজানির পর থেকে পলাতক রয়েছে। 

মন্তব্য করুন

সাম্প্রতিক প্রকাশনা সমূহ

   সাম্প্রতিক খবর



»