ব্রেকিং নিউজ

দুই প্রেমিকের পিটুনিতে প্রেমিকার বাবা খুন

প্রেমিকার বাবা খুন

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় দুই প্রেমিক এবং তার সহযোগীদের মারপিটে আব্দুর রউফ সাইদ (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। 

বুধবার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় এক প্রেমিক কাজিপুর পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ।

নিহত আব্দুর রউফ সাইদ উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নের পশ্চিম দুবলাই গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে। আটক আমিনুল ইসলাম আলমপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

কাজিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গৌতম চন্দ্র মালী জানান, নিহত আব্দুর রউফ সাইদের মেয়ে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তার সাথে উপজেলার বাঐখোলা গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে রাশেদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের এ সম্পর্ক কিছুদিন পরে ভেঙে যায়। এর কিছুদিন পর তার এক সময়ের গৃহ শিক্ষক কাজিপুর পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে সোনিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুপুরে সোনিয়া কলেজ থেকে আমিনুলের সঙ্গে বাড়ি

ফিরছিলেন। এসময় দুজন সীমান্ত বাজার আরআইএম ডিগ্রি কলেজের পাশে পৌঁছলে সাবেক প্রেমিক রাশেদ ও তার লোকজন দুজনের পথরোধ করে। এসময় সোনিয়া তার বাবা আব্দুর রউফ সাইদকে ফোন করলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে দুই প্রেমিকের উপরই চড়াও হন এবং আমিনুল ইসলামকে চড়-থাপ্পর মারেন। এ অবস্থায় সোনিয়ার সাবেক ও বর্তমান প্রেমিক এবং তাদের সহযোগীরা সাঈদকে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান। 

কাজিপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাজু আহমেদ বলেন,  ছাত্রলীগের সঙ্গে আমিনুলের কোনও সম্পর্ক নেই। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গতমাসে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। 

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে এম লুৎফর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই বর্তমান প্রেমিক আমিনুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

মন্তব্য করুন

সাম্প্রতিক প্রকাশনা সমূহ

   সাম্প্রতিক খবর



»