ব্রেকিং নিউজ

বিডিজবস চাকরি মেলায় চাকরি প্রার্থীদের ঢল


ঢাকা ও চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় ৫৬টি কোম্পানি ৩০০ লোকবল নিয়োগের আশংখা

বিশ হাজারের অধিক বিভিন্ন ধরনের চাকরিপ্রার্থী অংশগ্রহন করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বুথে তাদের জীবন-বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। মেলার দ্বিতীয় দিনে আগামীকাল শুধুমাত্র অংশগ্রহন করা কোম্পানি কর্তৃক বাছাইকৃত আবেদনকারীদের মেলা প্রাঙ্গনে ইন্টারভিউ করা হবে।

এ মেলার মাধ্যমে তিন শতাধিক চাকরিপ্রার্থী তাদের কাঙ্খিত চাকরি খুঁজে পাবেন এবং কয়েক হাজার প্রার্থী ইন্টারভিউ দেওয়ার সুযোগ পাবে বলে আশা করছেন মেলার আয়োজক বিডিজবস ডট কমের পরিচালক, বিক্রয় ও বিপনন জনাব প্রকাশ রায় চৌধুরী।

আরও পড়ুন: বরগুনায় আবারও প্রাইমারি স্কুলের ছাদ ধস

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব এইচ এম সোহেল খান, বিডিজবসডট কমের চট্টগ্রাম অপারেশন হেড জনাব জমির হোসেন, এ জি এম জনাব ইমরুল কায়েস এবং মেলার সমন্বায়ক মোহাম্মদ আলী ফিরোজ।

উচ্চ মাধ্যমিকের (এইচএসসি) ক্লাস শুরুর বাকি মাত্র দেড় মাস। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারি তত্ত্বাবধানে থাকা তিনটি পাঠ্যবই সংশোধন এবং মুদ্রণ ও বাজারজাতের টেন্ডার প্রক্রিয়াই শেষ হয়নি। নকল বই বাজারজাত ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় এবারের টেন্ডার প্রক্রিয়া বর্জন করে গত কয়েক বছর ধরে এই কাজ পাওয়া ১৭ প্রতিষ্ঠান।

যে চারটি প্রতিষ্ঠান এবার টেন্ডারে অংশ নিয়েছে তার মধ্যে আবার দুটিই নবীন। বাকি দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নকল বই বাজারজাতের অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোনোটির বিরুদ্ধে সারা দেশে বই বাজারজাতের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। এ অবস্থায় বই মুদ্রণ ও বাজারজাত প্রক্রিয়া শুরুতেই জটিলতায় পড়েছে। এরফলে ১ জুলাইয়ের আগে বই বাজারজাত করা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে সাড়ে ১৭ লাখ শিক্ষার্থী। কিন্তু জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ৯ লাখ বই মুদ্রণ ও বাজারজাতের টেন্ডার দিয়েছে।

এতে একদিকে বাকি সাড়ে ৮ লাখ বই নকলের রাস্তা তৈরি করে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে এর ফলে সরকার অন্তত পৌনে ২ কোটি টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হবে।

সরকার এইচএসসির বাংলা, বাংলা সহপাঠ এবং ইংরেজি বই প্রকাশকদের মাধ্যমে বাজারজাত করে। বাকি বইগুলোর শুধু কারিকুলাম করে দেয় সরকার। ওই কারিকুলামের আলোকে লেখা বই প্রণয়ন ও বিক্রি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, এর মধ্যে বাংলা ও ইংরেজির বিষয়বস্তু ট্রাইআউট (সারা দেশের শিক্ষকদের মতামত নেয়া) প্রায় দু’বছর আগে শেষ হয়েছে। এর আলোকে উভয় বইয়ের গদ্য-পদ্যসহ পাঠ পরিবর্তন ও হালনাগাদ হওয়ার কথা। কিন্তু দু’বছরেও শেষ হয়নি সে কাজ। ফলে এবারও আগের বই শিক্ষার্থীদের হাতে যাচ্ছে।

জানতে চাইলে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা যুগান্তরকে বলেন, এইচএসসির ৩টি বই মুদ্রণ ও বাজারজাতে টেন্ডার হয়েছে। এতে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনটি নকলবাজ আর কোনটি নয়, তা নাম দেখে বোঝা সম্ভব হয়নি। তারা বই সারা দেশে বাজারজাত করতে পারবে কিনা সেটাও আগাম জানা সম্ভব নয়। টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটি এসব দেখবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ট্রাইআউটের প্রতিবেদন নিয়ে মূল্যায়নসহ পরবর্তী কার্যক্রম চলছে। মুদ্রণের আদেশ দেয়ার আগে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের কাজ শেষ হলে হয়তো সংশোধিত বই এবার যাবে।

সম্ভাব্য সংকট আঁচ করতে পেরে ১৬ মে এনসিটিবিতে বৈঠক ডাকা হয়। সেখানে গতবছর বই মুদ্রণে অংশ নেয়া ১৭টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যোগ দেন।

সূত্র বলছে, এনসিটিবির পক্ষ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানকে কাজ নিতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু বাস্তবে টেন্ডারে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজ দেয়ার বিকল্প নেই।

একাধিক প্রকাশক যুগান্তরকে বলেন, বুঝে হোক আর না বুঝেই হোক- এনসিটিবি নকলকারীদের সঙ্গে মিলিয়ে আমাদের বইয়ের কাজ দিতে চাচ্ছে এখন। কোনো বৈধতা ছাড়াই যেসব প্রতিষ্ঠান নকল বই বাজারে ছাড়ে, সেসব প্রতিষ্ঠানের হাতে বই ছাপানোর লাইসেন্স থাকলে তারা আসলের চেয়ে নকল বই-ই বেশি বিক্রি করবে। তাদেরকে কোনো প্রক্রিয়ায়ই ধরার সুযোগ থাকবে না। তাই জেনেশুনে এমন ফাঁদে পা দিতে চাই না। ফলে মুদ্রণের কাজ নেয়ার এনসিটিবির অনুরোধে সাড়া দিতে পারিনি।

একজন প্রকাশক বলেন, এসএসসিতে এবার পাস করেছে সাড়ে ১৭ লাখ শিক্ষার্থী। কিন্তু ৯ লাখ বই মুদ্রণের টেন্ডার হয়েছে। বাকি বইগুলো নকল বিক্রি হবে- সরকারি সংস্থা এটা ধরে নিয়েই কাজে নামছে। কিন্তু আমাদের দাবি ছিল, নকল বন্ধে এনসিটিবি যদি সক্রিয় হয় তাহলে চ্যালেঞ্জ নিতে আমরা প্রস্তুত। সংস্থারটির অতীতের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এনসিটিবি মাত্র ৪টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এবার পাঠ্যবই বাজারজাত করার ঝুঁকি নিয়েছে। কাজটি দুঃসাধ্য। বাজারে বইয়ের কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে। ফলে শিক্ষার্থীদের চড়া দামে বই কেনার শঙ্কাও আছে।

উল্লেখ্য, প্রতিটি বই থেকে এনসিটিবি রয়্যালিটি হিসেবে মূল্যের ১১ শতাংশ পেয়ে থাকে। সে হিসাবে ৯ কোটি বই থেকে প্রায় ৯৯ লাখ টাকা পাবে। এছাড়া প্রতিটি বইয়ের ‘নিরাপত্তা কাগজ’ বিক্রি করে পাবে আরও এক কোটি টাকা। অপরদিকে সাড়ে ৮ লাখ বই কম ছাপানোর কারণে রয়্যালিটি এবং নিরাপত্তা কাগজ বাবদ কমপক্ষে পৌনে ২ কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে সরকার। প্রকাশকরা বলছেন, নকল বই রোধ করতে পারলে কেবল প্রকাশকরা নন, সরকারও লাভবান হয়।

ট্রাইআউট ও বাংলা বই : ২০১০ সালের শিক্ষানীতি অনুযায়ী ২০১২ সালে নতুন কারিকুলাম তৈরি করে সরকার। তার আলোকে ২০১৪ সালে বাংলা প্রথমপত্র (পদ্য, গদ্য, উপন্যাস ও নাটক) এবং ২০১৫ সালে ইংরেজি প্রথমপত্র বই নতুনরূপে পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হয়। কোনো বিষয়ে নতুন পাঠ্যবই প্রবর্তিত হলে তারপর ক্লাসে পাঠদানকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে মতামত নেয়া হয়। এর নাম ট্রাইআউট।

গত বছর ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষকদের কাছ থেকে তেমন মতামত নিয়ে দুটি বিষয়ে আলাদা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। তাতে নানা সুপারিশ আছে। এরমধ্যে বাংলা বইয়ের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি আপত্তি দিয়েছেন শিক্ষকরা।

সুপারিশে বলা হয়, শিক্ষকরা বইটির নামকরণ লেখায় ভুল ধরে বলেছেন এর নাম ‘সাহিত্য পাঠ’ না লিখে এক শব্দে ‘সাহিত্যপাঠ’ লিখতে হবে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, জসীমউদদ্ীন এবং সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা বই থেকে বাদ দেয়ায় শিক্ষক-অভিভাবকদের হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা মীর মশাররফ হোসেন, ফররুখ আহমদ এবং প্রমথ চৌধুরীর লেখাও পাঠ্যবইয়ে ফিরিয়ে আনার সুপারিশ করেন। এসব লেখক-সাহিত্যিকের রচনা বাদ দেয়ায় এনসিটিবির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষকরা বিষোদগার করেন বলেও প্রতিবেদনে বলা আছে।

সুপারিশে বলা হয়েছে, সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত না থাকলেও পাঠ্যগ্রন্থে কতিপয় লেখকের রচনা অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। তাদের মধ্যে, অন্নদাশঙ্কর রায়, হুমায়ূন আহমেদ, বিহারীলাল চক্রবর্তী, ডিএল রায়, যতীন্দ্রমোহন বাগচী, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ও সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাঠ্যগ্রন্থে নারী লেখকদের মাত্র দুটি রচনা রয়েছে, এতে লিঙ্গবৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। তাই নারী লেখকের আরও লেখা যুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

সিলেবাস প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সিলেবাস অনেকে বৈচিত্র্যহীন। এতে গদ্যে মননশীল ও সুচিন্তিত প্রবন্ধের অভাব আছে। ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের মতো একই মানের আরও প্রবন্ধ থাকা উচিত। বিশেষ করে প্রমথ চৌধুরী কিংবা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা অনেকে দেখতে চান।

নৈতিকতা, দেশাত্মবোধ, মুক্ত ও উদার মানস গঠনের উপযোগী রচনার সন্নিবেশ থাকার পক্ষে জোরালো মত দেয়া হয়েছে। কবিতার ক্ষেত্রে বৈচিত্র্যহীনতার বিষয়টি অনেক বেশি। দুটি কবিতার নাম উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওইগুলো শিক্ষকদের তেমন টানে না।

তিনটি কবিতা উল্লেখ করে বলা হয় যে, ওইগুলোর ভাববিষয় একই। এছাড়া বানান, শব্দ গঠন ও প্রয়োগে ভুলভ্রান্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ‘কার’ প্রয়োগ এবং বিদেশি শব্দের বানানে অভিন্নতা নষ্টের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।


দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের কাছে ৬০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তারা মোট ব্যয়ের ৩ কোটি ৩৯ লাখ ডলার মূল্যের ৯৪টি এসএম-২ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১২টি গাইডেন্স সিস্টেমস বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এসএম-২ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশসীমার হুমকি মোকাবেলায় যুদ্ধজাহাজ থেকে ব্যবহৃত হয়।

তারা পৃথকভাবে ৩১ কোটি ৭০ লাখ ডলার মূল্যের ১৬০টি এন্টি-এয়ার আমরাম ক্ষেপণাস্ত্র ও গাইডেন্স সংক্রান্ত সরঞ্জামাদি জাপানের কাছে বিক্রির সবুজ সংকেত দিয়েছে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের সহযোগিতায় এসব অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়া হয়। এতে এ অঞ্চলের মৌলিক সামরিক ভারসাম্যের কোন পরিবর্তন হবে না।

গত সপ্তাহে চালানো উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে তারা যে দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে সেটি স্বল্প-পাল্লার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে আলোচনার অচলাবস্থার মধ্যেই পিয়ংইয়ং এসব ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের বড়াই করেছিলেন।

আরো পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ায় ভোটগ্রহণ চলছে

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির অবসানে পিয়ংইয়ং জোরালো পদক্ষেপ না নেয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের দাবি ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে প্রত্যাখান করায় গত ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সম্মেলন কোন চুক্তি ছাড়াই ভেস্তে যায়।


সাব-ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগের জন্য প্রস্তুতির এখনই সময়

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে চাকরি পাওয়া যেমন একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তেমনি সরকারি চাকরি পাওয়া আরও কঠিন। বর্তমান সময়ে পুলিশ ডিপার্টমেন্টে অফিসার পদে দুভাবে নিয়োগ হয়ে থাকে। একটা বিপিএসসির পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে, অন্যটা সরাসরি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক সাব–ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগের মাধ্যমে। বর্তমান সমাজে সাব–ইন্সপেক্টর চাকরির গুরুত্ব কোনো অংশে কম নয়।

ইংরেজি, বাংলা রচনা ও কম্পোজিশন

১. এ অংশ ভালো করার জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রবন্ধগুলো দেখা যেতে পারে।
২. সাম্প্রতিক ঘটনার দিকে লক্ষ রাখতে হবে।
৩. জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিষয়ে, অর্থাৎ, তাঁর জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ও তাঁর সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে জানতে হবে।
৪. ভাবসম্প্রসারণের জন্য বম-দশম শ্রেণির রচনা পার্টের বোর্ড বইটি দেখলে হবে।
৫. ইংরেজির জন্য Phrase and idioms, Preposition, Right form of verb বিষয়গুলো দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রফেসরের English for competitive exam বইটি সহায়ক হবে বলে মনে করি।
৬. অনুবাদ অংশে ভালো করার জন্য ইংরেজি পত্রিকা থেকে নিজে নিজে বাংলা করার চেষ্টা করতে হবে। এ ছাড়া ‘মাসিক সম্পাদকীয় সমাচার’ নামে একটি বই পাওয়া যায়, যাতে অনুবাদগুলো সুন্দর করে ছোট আকারে দেওয়া থাকে। এটাও পড় যেতে পারে।
৭. সর্বোপরি ফ্রি হ্যান্ডরাইটিংয়ে দক্ষতা থাকলে আরও ভালো করা সম্ভব। Composition or Essay writing–এর সময় অযথা, অবাঞ্ছিত শব্দ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সাধারণ জ্ঞান ও পাটিগণিত
১. সাধারণ জ্ঞান অংশে পত্রিকা পড়ার কোনো বিকল্প নেই। সাম্প্রতিক সবচেয়ে যে বিষয়ে আলোচনা বেশি হয়েছে, সেই বিষয়ে ভালো ধারণা থাকতে হবে। যেমন: রোহিঙ্গা ইস্যু, নিউজিল্যান্ডে হামলা, উত্তর কোরিয়া ইত্যাদি। এ ছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও তার প্রভাব। আন্তর্জাতিক চুক্তি, জঙ্গি সংগঠনের নাম, গোয়েন্দা সংস্থার নাম, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুলিশ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পুলিশ। এ ছাড়া টিকা আকারে প্রফেসরের সাব–ইন্সপেক্টর নিয়োগ গাইডে পাওয়া যাবে। 
২. পাটিগণিত অংশের জন্য একটাই সাজেশন, আর সেটা হলো প্রফেসরের বিসিএসের লিখিত গণিত বইটি। আমিও এটা পড়েছিলাম। শুধু পাটিগণিত অংশটুকু করবেন।
পাটিগণিত থেকে ঐকিক নিয়ম, শতকরা, লসাগু, গসাগু, অনুপাত, সমানুপাত, সুদ, লাভক্ষতি বিষয়ে দেখতে হবে। এ ছাড়া বীজগণিত অংশে সরল আসতে পারে।

মনস্তত্ত্ব
এই অংশে ২৫ নম্বরে ২৫ পাওয়া খুব সহজ। এ অংশের জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়তে হবে। তা ছাড়া ১. Correct Spelling ২. Mental Ability ৩. বিপরীত ও সমার্থক শব্দ, আইকিউ, সম্পর্ক নির্ণয়, সংখ্যা চিহ্নিত, ধারা, টীকা ইত্যাদি আসতে পারে।

সর্বোপরি যে বিষয়টি আপনাকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে, তা হলো আপনার নিজের ওপর আস্থা। হোক ছোট কিংবা বড়, সব প্রশ্নের উত্তর লিখে আসবেন।

লেখক: সাব–ইন্সপেক্টর, ঢাকা মহানগর পুলিশ, ঢাকা। ওয়ারী থানায় কর্মরত


প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে জয়ের উচ্ছ্বাসে বাংলাদেশ ক্রিকেটাররা

পেস বোলিংয়ের বিরুদ্ধে তিনি স্বচ্ছন্দ নন। তবে স্পিনটা খারাপ করেন না। তাই ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ঢুকে পড়েছিলেন একরকম ফাঁকতালে। যদিও মাশরাফি বিন মর্তুজা সেদিনও বলছিলেন, ‘ও কিভাবে যেন পেসারদের মেরে দেয়।’ মোসাদ্দেক হোসেন পেসারদের মারলেন প্রচণ্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০ বলে ফিফটি করেছেন এবং তাতেই বৃষ্টির কারণে টি-টোয়েন্টির দৈর্ঘ্যে নেমে আসা ফাইনাল ৫ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ। এ জয়ের মাহাত্ম্য অবশ্য শুধুই আরেকটি ম্যাচ জয় নয়, এ জয় যে ফাইনালের গেরো খোলার ম্যাচও। বহুজাতিক যেকোনো আসরে ছয়বার ফাইনালে হারের বৃত্ত ভাঙা জয় এটা।

বৃষ্টিতে প্রায় সোয়া ৫ ঘণ্টা বিরতির পর খেলা শুরু হওয়া অলক্ষ্যে যেন আরেকটি ফাইনাল হারের হুমকিই দিচ্ছিল বাংলাদেশকে। ২৪ ওভারে খেলা হবে। তবে তার আগেই যে ২০.১ ওভারে বিনা উইকেটে ১৩১ রান তুলে লক্ষ্যটাকে অনেক দূরে নিয়ে গেছে ক্যারিবীয়রা। বাকি অংশে শাই হোপকে হারিয়ে ক্যারিবীয়রা ১৫২ রান করায় বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২১০ রান। টি-টোয়েন্টির জামানায় পুরো ৫০ ওভারে তিনশোর্ধ্ব ইনিংস তাড়া করার চেয়ে অপেক্ষাকৃত সহজ অবশ্যই। তবু বাংলাদেশ কবে টি-টোয়েন্টিতে বলে-কয়ে দুই শ রান করেছে? তাই শঙ্কা ছিল।

শঙ্কার মেঘ সরানোর প্রথম কাজটা করেছেন সৌম্য সরকার। ১৩ বলে তামিম ইকবাল ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরার সময়ও বাংলাদেশ যে ষষ্ঠ ওভারেই ৫৯ রান তুলে বসে আছে, তা সৌম্যর সৌজন্যে। আশা ছেড়ে দেওয়ার কারণ তাই ঘটেনি তখনো। কিন্তু সাব্বির রহমান যে ক্রিজে এসেই এলবিডাব্লিউ। সেই ধাক্কাও সৌম্য আর মুশফিকুর রহিম মিলে সামাল দিয়ে গেছেন। কিন্তু ৩৪ রানের ব্যবধানে সৌম্য, মুশফিকের পর মোহাম্মদ মিঠুনের বিদায়ে আরেকটি ফাইনালে বিষাদে ঢাকা পড়ার শঙ্কা জেগেছিল। তবে উইকেট পতনের পরও রান রেটে পিছিয়ে ছিল না বাংলাদেশ। আর সে সুবিধাটাই কাজে লাগিয়েছিলেন মাহমুদ উল্লাহ ও মোসাদ্দেক হোসেন। স্ট্যাটাস অনুযায়ী বাকি পথটুকু বাংলাদেশকে বয়ে নিয়ে বেড়ানোর কথা মাহমুদের। তবে মোসাদ্দেকের মনে সম্ভবত অন্য কিছুই ছিল। মাহমুদ উইকেট আগলে স্ট্রাইক দিয়েছেন মোসাদ্দেককে। আর নিজের দায়িত্ব পালন করে গেছেন মোসাদ্দেক। মাত্র ২৪ বলে ২ বাউন্ডারির সঙ্গে ৫ ছক্কায় সাজানো ৫২ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংসে অসাধারণ সব শটও খেলেছেন মোসাদ্দেক। যে পেস বোলিং নিয়ে এত কথা শুনতেন, সেই পেস বোলিংয়ে এক্সট্রা কাভার দিয়ে বাউন্ডারি মেরেছেন, পুলও খেলেছেন মোসাদ্দেক। বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে এর চেয়ে ভালো প্রস্তুতি তাঁর জন্য আর কী হতে পারত! অবশ্য পুরস্কার বিতরণীর সময় পুরো দলের প্রস্তুতি নিয়েই সন্তুষ্ট মাশরাফি, ‘বিশ্বকাপে এমন জয় অনুপ্রেরণা জোগাবে। বড় রান তাড়া করার সামর্থ্য যে আছে, সেটি বোঝা গেল।’ মাত্র ২২.৩ ওভারে ২১২ রান করে ফেলা দলের অধিনায়ক এমন দাবি করতেই পারেন।

সকাল থেকেই আকাশের মুখ গোমড়া, খেলার সঙ্গে সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও শুরু। তাতে মাশরাফি বিন মর্তুজার টস জেতাকে পয়মন্তই মনে হচ্ছিল। এমন পরিবেশে যা করে সবাই, বাংলাদেশ অধিনায়কও তা-ই করেছেন। প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে কন্ডিশনের সুবিধা নিতে চেয়েছেন। কিন্তু পুরো আসরে দারুণ ফর্মে থাকা শাই হোপের সঙ্গে রানের ফুল ফুটছে যে সুনীল অ্যামব্রিসের ব্যাটেও। তাঁদের দাপটে বলের লাইন লেন্থ ভুলে যেতে সময় লাগেনি বাংলাদেশি পেসারদের। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের এক ওভারে তিন বাউন্ডারিতে রানের শিকল ভাঙার পর মোস্তাফিজুর রহমানের ওপরও চড়াও হয়েছেন দুই

ক্যারিবীয় ওপেনার। অবশ্য এতে হোপ ও অ্যামব্রিসের কৃতিত্বের সঙ্গে মোস্তাফিজের ব্যর্থতারও অবদান রয়েছে। কখনো হাফভলি কখনো বা শর্ট বল করে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানের স্ট্রোকপ্লে নির্বিঘ্ন করেছেন, যদিও সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে তাঁর ওপরই আস্থা ছিল সবচেয়ে বেশি।

আগের ম্যাচগুলোয় মাঝের ওভারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল বাংলাদেশের স্পিনারদের। সাকিবের অনুপস্থিতি নিঃসন্দেহে বড় ঘাটতি। সঙ্গে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে বল গ্রিপ করাও কঠিন হয়ে উঠেছিল মেহেদী হাসান মিরাজ আর মোসাদ্দেকের জন্য। তাতে উইকেট যেমন মেলেনি, তেমনি রান আটকানোর কাজটাও আর করা হয়নি। এমন অবস্থায় বৃষ্টির জোর বাড়াকে মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের জন্য প্রকৃতির আশীর্বাদ। ততক্ষণে যে তিন শ টপকে রান পাহাড় গড়ার ইঙ্গিত দিয়ে ফেলেছেন শাই হোপ ও অ্যামব্রিস। ২১তম ওভারে বিনা উইকেটে ১৩১ রান কোথায় গিয়ে ঠেকত, কে জানে!

একটা সময় তো মনে হচ্ছিল, খেলাই বুঝি হবে না আর। সে ক্ষেত্রে পুল পর্বে জয়ের সুবাদে শিরোপা বাংলাদেশ অধিনায়কের হাতেই উঠত। কিন্তু কুড়িয়ে পাওয়া শিরোপায় তো আর গর্ব নেই। সৌম্য, মাহমুদ উল্লাহ আর মোসাদ্দেকের দুর্ধর্ষ ব্যাটিংয়ে শেষমেশ গর্ব গায়ে মেখেই ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম শিরোপাজয়ের উৎসব করেছে বাংলাদেশ।

কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর বাজার এলাকায় বৃহস্পতিবার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উভয় পাশের সব অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করে গাজীপুর জেলা পুলিশ। কিন্তু উচ্ছেদের ১২ ঘণ্টা পর আবার দখল করে দোকানপাট বসে ফুটপাত দখল করে নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। 

শুক্রবার সকাল থেকেই ওই ফপুটপাতে দোকান বসে পুরোদমে বেচাকেনা করতে দেখা গেছে। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সকাল থেকে ধীরে ধীরে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বাসযাত্রীদের গরমের মধ্যে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গাজীপুর জেলা পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্যকে নিয়ে গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম সবুর, কালিয়াকৈর থানার ওসি (অপারেশন) মো. সানোয়ার জাহান ওই উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেন। উচ্ছেদের সময় ফুটপাত ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির সদস্যদের সড়কের ওপর ও পাশে কোনো দোকান না বসানোর জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু এসপি শামসুন্নাহারের নির্দেশ অমান্য করে শুক্রবার সকাল থেকেই সফিপুর বাজারের ইজাদাররা ফুটপাতে প্রতি দোকান থেকে ৬০ থেকে ১৩০ টাকার বিনিময়ে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ওসি (অপারেশন) সানোয়ার জাহান জানান, মহাসড়কে ও উভয় পাশে যতবারই হকাররা ফুটপাতে দোকান বসাবে ততবারই তাদের উচ্ছেদ করা হবে। আজ শনিবার আবার উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

অনেক মানুষই এখন উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন। এ রোগের প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে। যদিও এটি লাইফস্টাইল ডিজিজ, তারপরও কেবলমাত্র জীবনযাপনের কায়দা পাল্টে তাকে রুখে দেওয়া যায় না। জীবিকা ও বেঁচে থাকার ধরনে অত সহজে বদল আনাও যায় না। কিন্তু তারপরও উচ্চ রক্তচাপের মতো অসুখ ঠেকিয়ে রাখতেই হয়।

জীবনযাপনের ধরন সবটা পাল্টাতে না পারলেও কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হয়। পর্যাপ্ত ঘুম, যতটা সম্ভব কম মানসিক চাপ নেওয়া, এগুলো বজায় রাখতে হয়। তবে উচ্চ রক্তচাপের মতো ভয়াল অসুখ ঠেকাতে চাইলেও যেহেতু, সব নিয়ম মেনে চলার ফুরসত আমাদের হয় না, তাই একটু বেশিই নজর রাখতে হয় খাবার পাতে।জীবনযাপনের ধরন সবটা পাল্টাতে না পারলেও কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হয়। পর্যাপ্ত ঘুম, যতটা সম্ভব কম মানসিক চাপ নেওয়া, এগুলো বজায় রাখতে হয়। তবে উচ্চ রক্তচাপের মতো ভয়াল অসুখ ঠেকাতে চাইলেও যেহেতু, সব নিয়ম মেনে চলার ফুরসত আমাদের হয় না, তাই একটু বেশিই নজর রাখতে হয় খাবার পাতে।

গ্রিন টি: শরীরের মেটাবলিজমকে বাড়ায় গ্রিন টি। শুধু তাই নয়, এর পলিফেনল ব্লাড প্রেশারকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকায় এই ধরনের পানীয় রোগের হানা ঠেকাতেও কাজে আসে।

সেলেরি জুস: সেলেরিতে ৩-এন বিউটিলফথ্যালাইড থাকে। এটি রক্তবাহী নালির পেশীর প্রাচীরে চাপ কমাতে সাহায্য করে। ফলে রক্তচাপ বাড়তে পারে না। উল্টে রক্তের চলাচল সহজ করে।

ব্রকোলি: ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের প্রাচুর্য থাকায় এই সব্জি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই উচ্চ রক্তচাপের অসুখ থাকলে ব্রকোলি রাখুন পাতে।

বেদানার রস: রক্তাল্পতা ঠেকাতে অনেকেই বেদানায় ভরসা রাখেন। এই ফল কিন্তু কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই নিয়ম করে এই ফল ডায়েটের তালিকায় রাখুন।

কলা: পটাশিয়াম বেশি থাকায় এটি রক্তচাপ কমাতে খুবই কার্যকর। কলা তাই উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম সেরা সমাধান। যে সব ফল রোজের পাতে রাখলে বিশেষ উপকার মেলে, কলা তার অন্যতম।

পিঁয়াজ: রক্তবাহর প্রাচীরের উপর চাপ কমাতে সাহায্য করে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন। এই উপাদান পিঁয়াজের মধ্যে অনেকটা থাকে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের কাঁচা পিঁয়াজ খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেক চিকিৎসকই। এ ছাড়া উদ্ভিদের বিশেষ রঞ্জক কুয়েরসেটিন পিঁয়াজের গায়ে উপস্থিত থাকে। এটিও রক্তচাপ কমাতে পারদর্শী।

ওটমিল: উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার অথচ ফ্যাট খুবই নগণ্য, এটাই ওটমিলের বিশেষত্ব। কোলেস্টেরলকেও ঠেকিয়ে রাখে এই খাবার। তাই ওটমিলকে রাখুন পাতে।

বিটের রস: শীতকালে নিয়ম করে খান বিটের রস। পটাশিয়ামের প্রাচুর্য ও আয়রনের উপস্থিতির কারণে এই রস রক্ত তৈরিতে যেমন কাজে আসে, তেমনই রক্ত চলাচলেও বিশেষ সাহায্য করে। রক্তবাহী নালির প্রাচীরে চাপ ফেলতে দেয় না।

বিডি প্রতিদিন/কালাম



»