ব্রেকিং নিউজ

এবার ঈদে অনবিজ্ঞ ড্রাইভার সড়কে থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এবার ঈদে সড়কে বৈধ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া কাউকে গাড়ি চালাতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদ পূর্ববর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক আলোচনা সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অদক্ষ চালকরা যানবাহন চালানোয় ঈদের সময় দুর্ঘটনা বেড়ে যায়। এ কারণে বৈধ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া কাউকে গাড়ি চালাতে দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। এ ছাড়া পরিবহনে কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঈদকে কেন্দ্র করেই নিরাপত্তা প্রস্তুতি সাজানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। বুদ্ধপূর্ণিমা ঘিরেও অনেক কথা শোনা গিয়েছিল। কিন্তু সবকিছু ভালোভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। আগামী ঈদুল ফিতরও আমরা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করতে পারব ইনশাল্লাহ।’

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টার্মিনাল, মার্কেট, দোকানপাট, ঈদগাহসহ সব জায়গায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় আমাদের পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা আছে। কেউ যদি নাশকতা করতে চায় তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তায় বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-পুলিশের মহাপরিদর্শক, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা।

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ধানের দাম বাড়ানোর প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসাবে সরকার চাল আমদানি বন্ধ করতে যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল রবিবার একথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কৃষকদের ন্যয্য মুল্য নিশ্চিত করতে চাল আমদানি বন্ধ করা হবে। পাশাপাশি ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রফতানি করা হবে।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইআরডি সম্মেলন কক্ষে কৃষি বাজেটের ওপর আলাপকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ বছর আনইউজুয়ালি আমরা অনেক বেশি খাদ্যশস্য উৎপাদন করতে পেরেছি। আমাদের যেমন বেশি উৎপাদন হয়েছে, আশপাশের দেশেও তেমনি করে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়েছে। বাইরে যদি ডিমান্ড (চাহিদা) থাকত, আমরা রফতানি করতাম। বাইরেও চাহিদা নাই।’ তারপরও দেশের কৃষকদের বাঁচাতে চাল আমদানি বন্ধ করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কৃষককে বাঁচাতে হবে। আমরা সরকার থেকে যেটা করতে পারি, সেটা হলো আমরা আমদানি রেস্ট্রিক্ট করতে পারি। সরকারিভাবে আমরা এই কাজটি করব। অবশ্যই রেস্ট্রিক্ট করব। আমরা তো এটা ব্যান্ড করে দিতে পারব না।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মন্ত্রণালয় থেকে যা যা করা দরকার, সেগুলোর প্রতিফলন আপনারা দেখতে পাবেন’, যোগ করেন অর্থমন্ত্রী। তার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টা অবশ্যই সুবিবেচনা করবেন। এটি তার মন্ত্রণালয়েরই কাজ।

ভর্তুকি দিয়ে শবজি রফতানি করায় সবজির উৎপাদন বেড়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সবজি অনেক হচ্ছিল। কৃষকরা দাম পাচ্ছিল না এবং এগুলা পচে যাচ্ছিল। আমরা রফতানির ব্যবস্থা করলাম। রফতানি খরচ দিতে পারে না বলে আমরা সেখানে ভর্তুকি দিচ্ছি। ভর্তুকি দিয়ে আমরা সেই কাজটি করছি। এর কারণে সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন চার নম্বরে। রফতানি করার কারণে এর বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে। সবজিতে অন্তত দামটা পাচ্ছে কৃষকরা।’

একইভাবে চালও ভর্তুকি দিয়ে রফতানি করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। মুস্তফা কামাল বলেন, ‘চলতি বছর ধান উৎপাদন বেশি হয়েছে। কিন্তু এখন চালের দাম আন্তর্জাতিক বাজারেও কম। চালও প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে রফতানি করতে পারি। সেই উদ্যোগটাও আমরা গ্রহণ করব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করব।’

শুধু সবজি নয়, যে বছর যে পণ্য বেশি উৎপাদন হবে, সেগুলোও রফতানি করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তার মতে, ‘তাহলে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে মিসম্যাচটা (ব্যবধান) হবে না। ন্যায্য দামটা কৃষক পাবেন।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘উৎপাদন করে তারা যদি উৎপাদনের খরচ না পায়, তাহলে একদিকে তারা নিরুৎসাহিত হবে। অন্যদিকে আমরা মনে করি, এটি সরকারের জন্য একটি অনৈতিক বিষয়। সরকারকে সবদিকেই দেখতে হবে, উৎপাদনও দেখতে হবে, উৎপাদনের জন্য সহায়ক যা আছে, এগুলোরও সমাধান দিতে হবে। এটা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। আমি মনে করি, এটা অবশ্যই করণীয়।’

কৃষি যন্ত্রপাতির বিষয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, আমরা যে কৃষি যন্ত্রপাতিগুলো দিই, সেগুলো নিতেও চায় না। আমরা অনেক ভতুর্কি দিয়ে দিতে চাই। জোর করে দেয়া লাগে। সবাইকে অবহিত করতে হবে, যদি কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন, তাহলে উৎপাদন বাড়বে। ব্যয়ও কমে যাবে। এই ব্যয় কমানোর জন্যও আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে।’

উৎপাদন না হলেও কৃষি যন্ত্রপাতি কিনে রাখা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমরা আগামীতে যে কাজটি করব, উৎপাদন হোক আর না হোক, আমরা সয়লাভ করে দেব কৃষি যন্ত্রপাতির দিয়ে। কৃষি যন্ত্রপাতি আমরা নিয়ে এসে রেখে দেব। যখন লাগবে তখন ব্যবহার করব। কিন্তু ব্যবহার করতে হবে। আর সরকার এখান থেকে নামমাত্রে দাম নেয়।’

রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে সাজিদ হোসেন (১৬) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুর সোয়া ১টার দিকে নগরীর লালনশাহ উন্মুক্ত মঞ্চ সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সাজিদ হোসেন পুঠিয়া উপজেলার ধোপাপাড়া এলাকার কায়েস উদ্দিনের ছেলে। ধোপাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয় সাজিদ। এইচএসসি ভর্তির জন্য নগরীর মালোপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিল সে।

জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে দুপুরে পদ্মায় গোসল করতে গিয়েছিল সাজিদ। সাঁতার না জানায় পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তলিয়ে যায় সে। খবর পেয়ে দমকল বিভাগের কর্মীরা গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ডুবুরি নুরুন্নবী উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনি জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিন সদস্যের একটি ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হন স্থানীয় জেলেরা। সোয়া ১টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে রামেক হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আড়াই মাস পর দাপ্তরিক কাজে ফিরেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রায় আড়াই মাস চিকিৎসা শেষে নিজ মন্ত্রণালয়ে এসে সব প্রকল্প কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে  বৈঠক ডেকেছেন তিনি। আজ সকাল ১০টায় সব প্রকল্প প্রধান এবং কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক বসেন তিনি। 

ওবায়দুল কাদেরের একান্ত সূত্র জানায়, আজ থেকেই কাজে নেমে পড়বেন ওবায়দুল কাদের। দলে এবং মন্ত্রণালয়ে সাধ্যমতো সময় দেবেন। তবে, পুরোদমে কাজ শুরু করতে আরও মাস খানেক সময় লাগবে। তাই, আপাতত দলীয় কার্যালয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 

এরমধ্যে গত দু’দিন ওবায়দুল কাদেরের বাসায় গিয়ে অনেকেই সাক্ষাৎ করেছেন। তার মন্ত্রণালয় ও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা ও ফুল নিয়ে গিয়েছিলেন। এছাড়া দিনভর রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা তার বাসায় ভিড় করেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২রা মার্চ হার্ট অ্যাটাকের পর ওবায়দুল কাদেরকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৪ঠা মে মুমূর্ষু অবস্থায় ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২০শে মার্চ মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি হয়। ৫ই এপ্রিল তিনি হাসপাতাল ছাড়লেও সেখানে একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন।  সেখানে থেকে তিনি ফলোআপ চিকিৎসায় ছিলেন। এরপর গত ১৫ই মে দেশে ফেরেন তিনি। 

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮–এর পরীক্ষা চার ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। নতুন সূচি অনুযায়ী, প্রথম দুই ধাপের তারিখ পরিবর্তন হয়নি। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম ধাপের পরীক্ষা ২৪ মে এবং দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা ৩১ মে নেওয়া হবে। তবে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা আগামী ১৪ জুনের পরিবর্তে ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২১ জুনের পরিবর্তে ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ওয়েবসাইটে নিয়োগ পরীক্ষার সংশোধিত তারিখ প্রকাশ করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর।

১৩ হাজার পদের বিপরীতে তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত ৬১ জেলা থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা মৌখিক পরীক্ষার অংশ নেবেন। এরপরই চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে সহকারী শিক্ষকদের।

কলকাতার এ সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শ্রাবন্তীর তৃতীয় বিয়ের নিয়ে মুখ খুললেন প্রথম স্বামী নির্মাতা রাজীব কুমার ।

কলকাতার সিনে পাড়ায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে শ্রাবন্তীর বিয়ের খবর। তবে শ্রাবন্তী ও পরিবারের সবাই চুপ থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়া থেমে নেই।

আর এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রীর প্রাক্তন স্বামী নির্মাতা রাজীব কুমার বিশ্বাস। শ্রাবন্তীকে নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

রাজীব বলেন, শ্রাবন্তী মানুষ হিসেবে ভীষণ ভালো। শ্রাবন্তী সুখে থাকুক। তবে আবেগের বশে যেন কোনও ভুল সিদ্ধান্ত না নেয়, এটাই প্রার্থনা করি সব সময়।

এদিকে পহেলা বৈশাখ থেকে প্রেমিক রোশন সিংহের সঙ্গে বাগদান সারেন এই শ্রাবন্তী । গত ১৯ এ মে প্রেমিক রোশন সিংয়ের দেশের বাড়িতে নাকি হয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠান।

তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো মুখ খোলেননি শ্রাবন্তী ও তার পরিবারের কেউ।

পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে শ্রাবন্তীর বিয়ে হয় ২০০৩ সালে। রাজীব-শ্রাবন্তীর ছেলেও রয়েছে, ওর নাম ঝিনুক। মায়ের সঙ্গেই থাকে সে।

রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে শ্রাবন্তীর সম্পর্ক হয় মডেল কৃষণ ব্রজের সঙ্গে। মহাসমারোহে বিয়েও করেন তারা। গত জানুয়ারিতে কৃষণের সঙ্গে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয় শ্রাবন্তীর। তার পরই নায়িকার সঙ্গে জড়িয়ে যায় রোশনের নাম।

রোশন পেশায় একটি এয়ারলাইন্সের ক্যাবিন ক্রু সুপারভাইজার।

প্রথম কোনো দল হিসেবে এক মৌসুমে তিনটি শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়ল ম্যানচেস্টার সিটি।

এফএ কাপের ফাইনালে ওয়াটফোর্ডকে ৬-০ গোলে হারিয়ে চলমান মৌসুমে ঘরোয়া ট্রেবল জয় করল তারা।

এর আগে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর টাইব্রেকারে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপ ঘরে তোলে সিটি।

আর ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিওনের মাঠে ৪-১ গোলে জিতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি।

এবার শনিবার রাতে গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও রাহিম স্টারলিং জোড়া গোলে ওয়াটফোর্ডকে হারালেন পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।

এদিন ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ম্যানসিটির কাছে ওয়াটফোর্ড পাত্তাই পায়নি। ম্যাচের ২৬ মিনিটে গোলের সূচনা করেন ডেভিড সিলভা।

এর পর একের পর এক আক্রমণ চলতেই থাকে। ৩৮ মিনিটের মাথায় গোল করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা জেসুস। বিরতির আগে আর কোনো গোল হয়নি।

২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে নামে ম্যানসিটি। দুই গোল পিছিয়ে থেকেও তেমন কিছুই করে দেখাতে পারেনি ওয়াটফোর্ড।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬১তম মিনিটে ওয়াটফোর্ডের জালে বল জড়ান কেভিন ডি ব্রুইন। এর ঠিক ৭ মিনিট পর নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন জেসুস। ব্যবধান গিয়ে দাঁড়ায় ৪-০তে।

তবু যেন খুশি হননি ম্যানসিটির সমর্থকরা। ৮১ মিনিটে ওয়াটফোর্ডের লক্ষ্য ভেদ করেন স্টারলিং। এর ঠিক ৬ মিনিট বাদে আবারও ওয়াটফোর্ডের গোলপোস্টে স্টারলিংয়ের আক্রমণ। জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি।

মোট ৬ গোল করে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন সিটিজেনরা। সঙ্গে সঙ্গে রচিত হলো কয়েকটি ইতিহাস। ১১৬ বছর পর এফএ কাপের ফাইনালে এতবড় জয়ের রেকর্ড গড়ল সিটি।

সর্বশেষ ১৯০২-০৩ মৌসুমে ডার্বি কাউন্টিকে ৬-০ গোলে হারিয়েছিল বুরি।

সেই সঙ্গে ইংলিশ ফুটবলের দ্বিতীয় সেরা এই প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন হলো ম্যানসিটি।

এ ছাড়া প্রথম কোনো দল হিসেবে এক মৌসুমে তিনটি শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়লেন পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।

শরণার্থী হিসাবে আশ্রিত মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের নিয়ে দেশে বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এরা শরণার্থী শিবির থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। জড়াচ্ছে শিশু চুরিসহ নানা সামাজিক অপরাধে। ইতোমধ্যে রোহিঙ্গারা গ্রামাঞ্চলে ‘ছেলে ধরা’ নামে চিহ্নিত হয়েছে। কোথাও কোথাও তারা আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের ঘিরে এক শ্রেণির দালাল গোষ্ঠীও গজিয়ে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের জাল পাসপোর্ট তৈরি, নাগরিকত্ব প্রদান, বিদেশে বৈধ বা অবৈধভাবে পাচার করা ছাড়াও রোহিঙ্গাদের শিশু চুরির কাজে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছাদুজ্জামান খান কামাল ইত্তেফাককে বলেন, রোহিঙ্গারা আস্তে আস্তে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এসব রোহিঙ্গা ও দালালদের যে কোন মূল্যে প্রতিহত করা হবে। কোন ধরনের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি করতে দেওয়া হবে না। এদের পিছনে কারা কাজ করছে তার অনুসন্ধান চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে অনেক রোহিঙ্গাকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ধরে আবার শিবিরে ঢুকানো হয়েছে। সরকার রোহিঙ্গাদের উপর কঠোর নজর রাখছে বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার সময় সরকারের পক্ষ থেকে হোটেল, রাস্তা, যানবাহনে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও তল্লাশির ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা অনেকটাই শিথিল। এ সুযোগে এক শ্রেণির দালাল গোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের নিয়ে বৈধ-অবৈধ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড শুরু করে দিয়েছে।

ক্যাম্প ছেড়ে পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা:কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ত্রিশটি ক্যাম্পে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ঢুকে পড়া এসব রোহিঙ্গারা প্রতিদিন ক্যাম্প ছেড়ে পালাচ্ছেন। ইদানীং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গা আটকের খবর পাওয়া যাচ্ছে। কাজের খোঁজ ছাড়াও শরণার্থী শিবিরের মানবেতর জীবন থেকে মুক্তি পেতে ও ধনী হওয়ার আশায় স্থানীয় দালাল চক্রের সহযোগিতায় বিদেশ পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছায় অনেক রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছেড়ে যাচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়া রোহিঙ্গারা মাঝেমধ্যে আটক হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দালালরা ধরা ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কথা থাকলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।

জানা গেছে, রোহিঙ্গারা যাতে দেশের মূল জনস্রোতে মিশে যেতে না পারে সেজন্য টেকনাফ থেকে উখিয়া পর্যন্ত বসানো হয়েছে বেশ কয়েকটি চেকপোস্ট। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এসব চেকপোস্টে তল্লাশি চালান। তবে এত সতর্কতার পরও রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে পড়ছে অন্যান্য এলাকায়। জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন পেশায়। উখিয়ার ফলিয়া পাড়া সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ভোরে রোহিঙ্গাদের কাজের সন্ধানে বের হতে দেখা যায়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এক শ্রেণির সদস্য টাকার বিনিময়ে তাদের অবাধে বাইরে যেতে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় দোকানিরা জানান, রোহিঙ্গারা আসার পর বোরকার বিক্রি বেড়ে গেছে। ক্যাম্পের নারীরা বোরকা পড়েন। বোরকা পড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাওয়ার সুবিধা আছে।

সূত্র জানায়, চলতি বছর রাজশাহীতে বোরকা পরে পাসপোর্ট করতে গিয়ে দালালসহ পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন এক রোহিঙ্গা তরুণী। বছর খানেক আগে ঢাকার সূত্রাপুর থানার পুলিশ একটি হোটেল থেকে ৫/৬ জন রোহিঙ্গা নারীকে উদ্ধার করে।

এদিকে খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায় রোহিঙ্গা আর ছেলে ধরা আতঙ্ক দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। প্রতিদিনই জেলার কোন না কোন স্থানে ছেলে ধরা (শিশু চোর) রোহিঙ্গা সন্দেহে এলাকাবাসীর গণপিটুনি বা লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন এ দেশেরই বয়স্ক ভিক্ষুক ও মানসিক রোগীরা। ইতোমধ্যে ছেলে ধরা সন্দেহে ডুমুরিয়া উপজেলায় গণপিটুনিতে ষাটোর্ধ্ব এক রোহিঙ্গা বৃেদ্ধর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, রোহিঙ্গারা নিরাপত্তা বাহিনীর চেকপোস্ট এড়িয়ে পাহাড়-জঙ্গলের ভেতর দিয়ে এলাকা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। তারা এখন লোকাল ভাষা শিখে গেছে। পোশাক লোকালদের মতো পড়ছে। চেকপোস্ট দিয়ে দুই-চারজন যারা আসছে তারা স্পষ্টভাবে জায়গার নাম বলছে।

সূত্রমতে, সাধারণভাবে ধরা পড়লে ক্যাম্পে ফেরত্ পাঠানো হলেও ইয়াবা নিয়ে ধরা পড়লেই শুধু রোহিঙ্গাদের জেল হাজতে পাঠানো হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে যেসব রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছেড়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে ঢাকাগামী তুর্ণা নিশিথা এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠার প্রাক্কালে এক রোহিঙ্গা পরিবার জিআরপি পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। মা ও দুই মেয়ে এবং তাদের মামাসহ মোট ৪ জন ঢাকা যাওয়ার জন্য কুতুব ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস এজেন্সির প্রতিনিধি জেয়াবুল হোসেনের সঙ্গে চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে অবস্থান নেয়। এ সময় জিআরপি সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা স্বীকার করেন যে মধ্যপ্রাচ্যে যাবার জন্য কুতুপালং ক্যাম্প থেকে পালিয়ে এসেছেন। নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজার পাখি গলির এই এজেন্সি থেকে আব্দুল হাকিমের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার জন্য রোহিঙ্গারা মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন করেছে। জাল পাসপোর্ট তৈরি করতে তাদের ঢাকায় পাঠাতে জেয়াবুলকে ব্যবহার করছিল হাকিম।

প্রসঙ্গত, ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে গত বছরের জুন থেকে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করে জাতিসংঘ। এপর্যন্ত আড়াই লক্ষ রোহিঙ্গাকে পরিচয়পত্র দিয়েছে সংস্থাটি। বাকিদের পরিচয়পত্র প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রস্তুতি অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো। ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে ৪টি আন্ডার পাসের কাজ শেষ হবে ঈদের আগেই। আগামী ২৫ মে মেঘনা-গোমতি সেতু উদ্বোধন হবে।

দুই মাস ১৬ দিন পর আজ রবিবার সকালে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পবিষয়ক এক সভা করেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু আজ

নিজের চিকিৎসার বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৬ জুলাই চেকআপ করাতে যাবো। ভারি কাজ করতে চিকিৎসরা নিষেধ করেছেন। দুইমাস পরপর চেকআপ করাতে হবে। তিনি বলেন, আগের মতো রাস্তায় রাস্তায় রোদ-বৃষ্টি একাকার করে কাজ করতে পারবো না। তবে ধীরে ধীরে ২/৪ মাস পর আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবো, ইনশাল্লাহ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রথম ইনিংস শেষ করেছি। ইনশাল্লাহ, এবার দ্বিতীয় ইনিংস খেলবো। দ্বিতীয় ইনিংসের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে- সড়কে ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। আশা করি তা আনতে পারবো।

তিনি বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সংকটের জায়গা দুটি রুট। একটা হচ্ছে ঢাকা-গাজীপুর-টাঙ্গাইল উত্তরাঞ্চলের। এখানে সংকটটা হয়, এখানে যানজট হয়। মানুষের দুর্ভোগ হয়। ঘরমুখী যাত্রীরা সীমাহীন কষ্টের মধ্যে বাড়ি যান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রামেও সমস্যা হয় মূলত তিনটি ব্রিজের কারণে। আমার অনুপস্থিতিতে কাঁচপুর ব্রিজের শুভ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী করেছেন। আগামী ২৫ মে মেঘনা-গোমতি সেতু উদ্বোধন হবে। এরপর ঢাকা-চট্টগ্রাম ঈদের সময় যে দুর্ভোগ-ভোগান্তি এইগুলো কমে যাবে। সম্পূর্ণ সহনীয় মাত্রায় থাকবে-এটা আমরা বলতে পারি। আমাদের গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইল অংশে এখানেও ভোগান্তি কম হবে।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, শরীরের কথা ভেবে আমি প্রত্যক্ষভাবে সক্রিয় না হলেও কাজের অগ্রগতি থেমে থাকবে না। আমার এখানে একটা টিমওয়ার্ক আছে। আমার পার্টিতেও একটা টিমওয়ার্ক আছে।

ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানান, রাজপথে জনগণের ভোগান্তি কমাতে চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে বিআরটিসির পণ্য পরিবহনে কেনা ৫শ’টি পরিবহনের ৪৮০টি চলে এসেছে। অন্যদিকে ৬শ’টি বাসের মধ্যে ১৬৯টি এসেছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন থেকে ২ মাস ১৬ দিন আগে আপনাদের (সাংবাদিক) সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তারপর দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিলাম। হয়তো সারাজীবনের জন্যই অনুপস্থিত ছিলাম! কিন্তু দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের অশেষ দোয়া ও প্রধানমন্ত্রীর সবিশেষ চেষ্টায় আমি ফিরে এসেছি।

নিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার অনুপস্থিতিতেও আপনারা কাজে কোনো ঘাটতি তৈরি করেননি। এটা আমি সিঙ্গাপুরে থাকা অবস্থায়ই প্রধানমন্ত্রীর কাছে শুনেছি। তিনি আমায় বলেছেন, তোমার মন্ত্রণালয় ঠিকঠাক মতো চলেছে।

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে গত বুধবার ২ মাস ১১ দিন পর দেশে ফেরেন ওবায়দুল কাদের। ওইদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে বহনকারী বিজি-০৮৫ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বাইপাস সার্জারির পর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল থেকে ওবায়দুল কাদের গত ৫ এপ্রিল ছাড়পত্র পান। তিনি হাসপাতালের কাছেই একটি ভাড়া বাসায় ছিলেন।

২০ মার্চ মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি হয়। গত ৩ মার্চ সকালে বুকের ব্যথা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। পরে উপমহাদেশের বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠির পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৪ মার্চ তাকে সিঙ্গাপুর নেয়া হয়। ওই রাতেই মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ডা. ফিলিপ কোহ’র নেতৃত্বে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। পরে গত ২০ মার্চ ওই হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি করেন মেডিকেল বোর্ডের সিনিয়র সদস্য কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে গত ২৬ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে হাসপাতালের আইসিইউ থেকে কেবিনে নেয়া হয়।



»