ব্রেকিং নিউজ

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে এ চাকরি

পদ ও যোগ্যতা : সহকারী সিস্টেম অ্যানালিস্ট ১ জন। বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। পদার্থবিদ্যা/ফলিত পদার্থবিদ্যা/গণিত/পরিসংখ্যান/ অর্থনীতি/ বাণিজ্য/সমাজতত্ত্ব অথবা ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর অথবা স্নাতক প্রকৌশল ডিগ্রি। সহকারী প্রগ্রামার হিসেবে ৪ বছরের অভিজ্ঞতা। বেতনক্রম : ৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা।

মেডিক্যাল অফিসার ২ জন। এমবিবিএস ডিগ্রিসহ ১ বছরের ইন সার্ভিস প্রশিক্ষণ এবং ১ বছরের অভিজ্ঞতা। বেতনক্রম : ২৩০০০-৫৫৪৭০ টাকা।

সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) ২ জন। যান্ত্রিক প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি। বেতনক্রম : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।

প্রভাষক (অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোল) ১ জন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক সম্মান ডিগ্রি। বেতনক্রম : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।

প্রভাষক (হিসাববিজ্ঞান) ১ জন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক সম্মান ডিগ্রি। বেতনক্রম : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।

উপসহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুত্, বৈদ্যুতিক সহকারী এবং বৈদ্যুতিক এস্টিমেটর) ৪ জন। ডিপ্লোমা-ইন-ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। বেতনক্রম : ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা। ২৫ জুন তারিখে সহকারী সিস্টেম অ্যানালিস্ট পদের প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ এবং অন্য সব পদের প্রার্থীর বয়স ৩০ বছর। অনলাইনে (লড়নংপঢ়ধ.ড়ত্ম) আবেদন করতে হবে ২৫ জুন রাত ১২টার মধ্যে। যোগাযোগ : চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বন্দর ভবন, চট্টগ্রাম।

ওয়েব : www.cpa.gov.bd

পদ ও যোগ্যতা : সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৩ জন। স্নাতক  বা সমমান। সাঁটলিপিতে গতি প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৭০ এবং বাংলায় ৪৫ শব্দ। কম্পিউটার টাইপিংয়ে গতি প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৩০ এবং বাংলায় ২৫ শব্দ। কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং কম্পিউটার চালনায় দক্ষ। বেতনক্রম : ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

কম্পিউটার অপারেটর ২ জন। বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমান। কম্পিউটার টাইপিংয়ে গতি প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৩০ এবং বাংলায় ২৫ শব্দ। কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। বেতনক্রম : ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

ক্যাশিয়ার ১ জন। বাণিজ্য বিভাগ থেকে স্নাতক পাস এবং কম্পিউটার চালনায় দক্ষ। বেতনক্রম : ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ১ জন। এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ এবং ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে। কম্পিউটারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং কম্পিউটার চালনায় দক্ষ। বেতনক্রম : ৯৩০০-২২৪৯০।

অফিস সহকারী ২ জন। এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং কম্পিউটার চালনায় দক্ষ। বেতনক্রম : ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

অফিস সহায়ক ৩ জন। এসএসসি বা সমমানের পাস। বেতনক্রম : ৮২৫০-২০০১০ টাকা। ১৯ মে তারিখে বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোটার ক্ষেত্রে ১৮-৩২ বছর। অনলাইনে আবেদন ১৬ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত। যোগাযোগ : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, প্রশাসন-১ শাখা।

ওয়েব : www.mocat.gov.bd

পদ ও যোগ্যতা : কম্পিউটার অপারেটর ১১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমান। কম্পিউটার টাইপিংয়ে গতি প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৩০ এবং বাংলায় ২৫ শব্দ। বেতনক্রম : ১১৫০০-৩০২৩০ টাকা। পরিসংখ্যান অনুসন্ধায়ক ৫ জন। পরিসংখ্যান, অর্থনীতি অথবা গণিতে স্নাতক সম্মানসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। বেতনক্রম : ১১৩০০-২৭৩০০ টাকা। সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ১৩ জন। এইচএসসি  বা সমমান। ইংরেজি শর্টহ্যান্ড ও টাইপিং প্রতি মিনিটে ৮০ ও ২৫ শব্দ। বাংলা শর্টহ্যান্ড ও টাইপিং প্রতি মিনিটে ৫০ ও ২০ শব্দ। বেতনক্রম : ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

উচ্চমান সহকারী ১২ জন। স্নাতক ডিগ্রি।

বেতনক্রম : ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ২৮ জন। ইংরেজি শর্টহ্যান্ড ও টাইপিং প্রতি মিনিটে ৭০ ও ২৫ শব্দ। বাংলা শর্টহ্যান্ড ও টাইপিং প্রতি মিনিটে ৪০ ও ২০ শব্দ। বেতনক্রম : ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা। টার্মিনাল অপারেটর ৫ জন। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি। বেতনক্রম : ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা। পাঞ্চ কার্ড অপারেটর একজন। এইচএসসি বা সমমান পাস। বেতনক্রম : ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা।

অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ৪ জন। এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার টাইপিং প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ এবং ইংরেজিতে ২৮ শব্দের গতি থাকতে হবে। বেতনক্রম : ৯৩০০-২২৪৯০।

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ৭ জন। এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার টাইপিং প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ এবং ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি। বেতনক্রম : ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

টেলিফোন অপারেটর ২ জন। এইচএসসি বা সমমান। বেতনক্রম : ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা। ড্রাইভার ১০ জন। অষ্টম শ্রেণি, গাড়ি চালনায় তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ বৈধ লাইসেন্সধারী। বয়স ১৮ থেকে ৩০। মুক্তিযোদ্ধা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের বেলায় ৩২ বছর। অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ ৩০ জুন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

যোগাযোগ : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, রাজস্ব ভবন, বোর্ড প্রশাসন-১ শাখা, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।

ওয়েব : www.nbr.gov.bd

প্রথমবার দেশের কোথাও পবিত্র ঈদের (ঈদুল ফিতর) চাঁদ দেখা যায়নি ঘোষণা দিয়ে আবার রাত ১১টায় চাঁদ দেখার ঘোষণা দেওয়ার কারণে সংসদে ধর্মমন্ত্রীর পদত্যাগ ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির এমপি হারুন-উর-রশিদ। 

অপরদিকে, বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে বালিশ কেনার তুঘলকি কারবার নিয়ে ৩০০ বিধিতে সংসদে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর বিবৃতির দাবি জানান।স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্ব মঙ্গলবার সংসদের তৃতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এসব দাবি জানান। 

বিএনপির এমপি হারুন-উর-রশিদের বক্তব্যের সময় সরকার দলীয় সদস্য ‘সেইম’ ‘সেইম’ বলে প্রতিবাদ করতে থাকলে সংসদ কিছুক্ষণের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্পিকার বারবার তাকে বক্তব্য শেষ করার জন্য অনুরোধ জানালেও তিনি বক্তব্য অব্যাহত রাখেন। এ সময় সাময়িকভাবে তার মাইকও বন্ধ করে দেওয়া হয়। 

এছাড়া সরকারি দলের তীব্র বিরোধীতার মধ্যে সংসদকে অনির্বাচিত বলে দেওয়া বিএনপির মহিলা এমপি ব্যারিস্টার রুমনি ফারহানার বক্তব্য কার্যপ্রণালী বিধির ৩০৭ ধারা মোতাবেক এক্সপাঞ্জ করারও ঘোষণা দেন স্পিকার।

ব্রিস্টলে তিনটি দিন শুধু বেড়ানোই হলো বাংলাদেশ দলের। খেলতে এসে কেবল একদিন অনুশীলন করে আরেক শহরে চলে যাওয়াটাকে তো বেড়ানোই বলতে হয়!

বৃষ্টিতে মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলতে আজ দল যাবে টন্টনে। সঙ্গে যাবে ১ পয়েন্ট খোয়ানোর হতাশা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যে ম্যাচটা জিতবে বলেই ভেবেছিল বাংলাদেশ দল!

তবে সাবেক অধিনায়ক ও নির্বাচক হাবিবুল বাশার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১ পয়েন্ট কম পাওয়াটাকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন না। তিনি মানছেন, ম্যাচটা হলে ব্রিস্টল থেকে জয় নিয়ে টন্টন যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে না হওয়ায় যে বাংলাদেশের সেমিফাইনালে যাওয়ার দৌড় থেকে অনেক পিছিয়ে গেছে, তা মনে করছেন না, ‘আমি প্রথম থেকেই বলে আসছি, কোনো নির্দিষ্ট দলকে টার্গেট করে আমরা সেমিফাইনালে যেতে পারব না। আমাদের শক্তিশালী দলকেও হারাতে হবে। সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া, ভারতের মতো দলের বিপক্ষে খেলা বাকি। সেগুলোতেও জয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে হবে।’

শুধু লক্ষ্য বেঁধে দিয়েই শেষ করেননি হাবিবুল। তাঁর বিশ্বাস বড় দলকে হারানোর সামর্থ্যও আছে মাশরাফি-সাকিবদের, ‘কাগজ-কলমে হয়তো শ্রীলঙ্কাকে আমাদের পক্ষে হারানো সহজ ছিল। সেদিক দিয়ে হয়তো আমরা একটা পয়েন্ট মিস করেছি। কিন্তু খেলা যেহেতু হয়নি, এখন তো কিছু করার নেই। আমরা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছি। আমার বিশ্বাস অন্য বড় দলকে হারানোরও সামর্থ্য আমাদের আছে।’

আয়ারল্যান্ড সফর থেকেই দলের সঙ্গে থেকে হাবিবুলের উপলব্ধি—এই দলের অন্তত আত্মবিশ্বাসের অভাব নেই। দলের ম্যানেজার আরেক সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদেরও একই বিশ্বাস, ‘বিশ্বকাপের জন্য আমাদের প্রস্তুতি খুবই ভালো। একটি ম্যাচ জিতলেও আমরা কিন্তু এর পরের ম্যাচেও ভালো খেলেছি। ছেলেদের ওপর বাড়তি চাপ দিতে চাই না। সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলেই ওরা পরের ম্যাচগুলোতে ভালো খেলবে।’

ব্রিস্টলে খেলা না হওয়ায় এখন পরের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে মরিয়া বাংলাদেশ। শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ কেন, হাবিবুলের মতো মাহমুদের চোখও অন্য বড় দলগুলোর দিকে, ‘সব মিলিয়ে আমাদের অন্তত ৯টি ম্যাচ খেলতে হবে। ফরম্যাটটা খুব কঠিন। সেমিফাইনালে যেতে হলে আমাদের বিশ্বসেরা দলগুলোকে হারিয়েই যেতে হবে। আফগানিস্তানকে তো হারাতেই হবে।’

সেমিফাইনালে যেতে হলে পাঁচটি ম্যাচ অন্তত বাংলাদেশকে জিততেই হবে। তার মানে বাকি পাঁচ ম্যাচের মধ্যে জিততে হবে কমপক্ষে চারটিতে। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা প্রধান ও আরেক সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানের কথায়ও লক্ষ্যটা পরিষ্কার, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিপক্ষে আমাদের পুরো পয়েন্ট নিতেই হবে। সঙ্গে বড় একটা দলকেও হারাতে হবে।’

তবে ব্রিস্টল থেকে পুরো ২ পয়েন্ট নিয়ে যেতে না পারায় একটু আফসোস আছে তাঁর, ‘আমাদের কিছু টার্গেট করা দল আছে, যাদের আমরা হারাতে চাই। আশা ছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিতব। তবে বৃষ্টির ওপর তো কারও হাত নেই। আইসিসি রিজার্ভ ডে রাখেনি। এ নিয়ে কিছু বলারও নেই।’

না পাওয়ার হতাশা থাকবেই। কিন্তু বাংলাদেশ দলের লক্ষ্যটা যেহেতু অনেক বড়, হতাশা ঝেড়ে ফেলে সামনে তাকানোটাই এখন সময়ের দাবি।

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বিশ্ব সম্প্রদায়কে নিয়ে মিয়ানমারের ওপর কার্যকর চাপ দিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র এক সঙ্গে কাজ করতে রাজি হয়েছে। গতকাল সোমবার ওয়াশিংটনে শেষ হওয়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম অংশীদারত্ব সংলাপে এ বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ।


মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইট ও ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে প্রচারিত যৌথ বিবৃতিতে আজ মঙ্গলবার বলা হয়েছে, মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশকে উৎসাহিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু ধারা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক ও রাজনীতিবিষয়ক মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি ডেভিড হেইলের যৌথ সভাপতিত্বে দুই দেশের মধ্যে অংশীদারত্ব সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধি দল মত প্রকাশ ও সমাবেশের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেছে। বাংলাদেশ আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখা এবং দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপের বিষয়ে শেখ হাসিনার ঘোষণা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছে। মানবাধিকার সমুন্নত রাখা এবং মানব পাচার রোধের প্রয়াস জোরালো করতে বাংলাদেশকে উৎসাহিত করছে যুক্তরাষ্ট্র। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু ধারা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগ জানিয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে যে সব বিশেষায়িত সামরিক তথ্য বিনিময় হয়েছে, তার সুরক্ষার জন্য আলোচনা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশকে অনুরোধ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ এ নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের জন্য এর মূল উৎসে যাওয়ার পাশাপাশি স্বেচ্ছা, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি যে মিয়ানমারের জন্য জরুরি, তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে দুই দেশ। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য বাড়তি তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সংগঠিত করার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং সংকটের সমাধানে মিয়ানমারের ওপর কার্যকর চাপ দিতে দুই দেশ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ চালিয়ে নিতে একমত হয়েছে। 

বাংলাদেশের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা বিকাশ অব্যাহত রাখবে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মান ও চর্চার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শ্রম অধিকার ও কর্ম পরিবেশের নিরাপত্তায় অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশকে অনুরোধ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া একটি অবাধ, উন্মুক্ত, অংশগ্রহণমূলক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অভিন্ন স্বপ্ন এগিয়ে নিতে দুই দেশ নিবিড় সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে রাজি হয়েছে।



»