ব্রেকিং নিউজ

বজ্রপাতে বিজিবি সদস্যের মৃত্যু

নীলফামারীর ডিমলায় সীমান্তে টহলরত অবস্থায় বজ্রপাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও এক সদস্য আহত হয়েছেন।

নিহতের নাম কামরুল ইসলাম (৩৫)। আহত ইয়াসিনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

শুক্রবার রাতে ঠাকুর সীমান্তে পশ্চিম ছাতনাই ডাঙ্গাপাড়া নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত কামরুল ইসলাম ৫১ বডার গার্ড ব্যাটালিয়নের বালাপাড়া কোম্পানি কমান্ডারের আওতায় ঠাকুরগঞ্জ বিজিবি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার কুলাউড়া উপজেলার চর পাহাড়ি গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে। 

৫১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার রাতে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে সীমান্তের পশ্চিম ছাতনাই ডাঙ্গাপাড়া নামক স্থানে নায়েক কামরুল ইসলাম (৬৬৭১৪) ও সৈনিক ইয়াছিন টহল দিচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই কামরুলের মৃত্যু হয়। এ সময় অপর বিজিবি সদস্য ইয়াছিন আহত হন। কামরুলের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ বলেন, এ ব্যাপারে ডিমলা থানায় অপমৃত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

পদ : রিলেশনশিপ ম্যানেজার। যোগ্যতা : যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর। কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা। শুধু পুরুষ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। কর্মস্থল : দেশের যেকোনো জেলায় কাজ করতে হতে পারে। বেতন : কম্পানির সুযোগ-সুবিধাসহ আলোচনা সাপেক্ষে। আবেদনের নিয়ম : www.bdjobs.com থেকে আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ তারিখ : জুন ২৮, ২০১৯।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

নতুন বাজেটে মোবাইলে কথা বলার পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যবহারেও ব্যয় বাড়বে। এ বাজেট পাস হলে গ্রাহক পর্যায়ে কথা বলার ক্ষেত্রে সরাসরি কর দিতে হবে ২৭ শতাংশ। এর ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলা, এসএমএস (ক্ষুদে বার্তা) আদান-প্রদান ও এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যয় বেড়ে যাবে।বর্তমানে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ছাড়া বাকি সব সেবার ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ছাড়াও ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং আরও ১ শতাংশ সারচার্জ রয়েছে। এতে করে গ্রাহক পর্যায়ে কথা বলার ক্ষেত্রে সরাসরি কর রয়েছে ২২ শতাংশ।

তবে নতুন বাজেট প্রস্তাবে ৫ শতাংশ কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ বাজেট পাস হলে গ্রাহক পর্যায়ে কথা বলার ক্ষেত্রে সরাসরি কর দিতে হবে ২৭ শতাংশ।

এবার স্মার্টফোন সেটের সম্পূরক শুল্ক বিদ্যামান ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে অন্যান্য (ফিচার) ফোন সেটের সম্পূরক শুল্ক একই অর্থাৎ ১০ শতাংশ রয়েছে।

এদিকে মোবাইল ফোনের সিম/রিম কার্ডের সম্পূরক শুল্ক বিদ্যামান ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া মোবাইল ফোনের ট্রানজিস্টরের শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ, ক্রিস্টাল ডায়োডস ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ, চার্জার কানেক্টর পিন ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ, সিম স্লট ইজেক্টর পিন ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত কয়েকবছর ধরেই রক্ষণশীল সৌদির সংস্কৃতিতে বেশকিছু পরিবর্তন দেখেছে বিশ্ব। নিজেদের চেনা খোলস থেকে আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসছে দেশটি। এবার ‘হালাল নাইটক্লাব’ চালুর ঘোষণার পর থেকে সরগরম দেশটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। বিষয়টি নিয়ে সৌদি নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

টুইটারে অনেকে লিখেছেন, সৌদির এমন কর্মকাণ্ড দেশটির ইসলামিক চিন্তাধারা ও ঐতিহ্যের পরিপন্থী। আবার কেউ লিখেছেন, হালাল নাইটক্লাবে আসলে কি কি করা যাবে, এটা হাস্যকর। এছাড়া অনেক সামাজিক ব্যবহারকারী হালাল নাইটক্লাবের ব্যঙ্গ করে অনেক ভিডিও ও ছবি শেয়ার করেছেন। কেউ কড়া সমালোচনা করে লিখেছেন, এটা ইসলামের সংস্কার নয়, এটা অবক্ষয়। ইসলামের ক্ষতি করে এমন কর্মকাণ্ড আমরা মেনে নিতে পারিনা। তবে নাগরিকদের সমালোচনা ও অসন্তুষ্টি থাকলেও দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি।এর আগে, নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয়া, সিনেমা হল নির্মাণ, মাঠে বসে নারীদের খেলা দেখার অনুমতিসহ অনেক কিছুতেই পরিবর্তন এনেছে সৌদি। এগুলো নিয়েও বিতর্ক  রয়েছে। এরপর দুবাই ও বৈরুতের বিখ্যাত ব্র্যান্ড নাইটক্লাব হোয়াইটের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে সৌদি আরবের জেদ্দায় এমন ঘোষণার পর নতুন করে সমালোচনার মুখোমুখি হলো দেশটি।

জানা যায়, বিলাসবহুল এই নাইটক্লাবে ক্যাফে এবং লাউঞ্জ থাকবে। এতে ওয়াটারফ্রন্ট থাকবে, এর সাথে থাকবে বিশ্বের খ্যাতনামা মিউজিক গ্রুপের পরিবেশনা। ইলেক্ট্রনিক ডান্স মিউজিক, কমার্সিয়াল মিউজিক, আরএনবি এবং হিপহপ মিউজিক উপভোগ করা যাবে এখানে।

এই হালাল নাইটক্লাবের লাউঞ্জের একটি অংশে থাকবে ড্যান্স ফ্লোর। নারী পুরুষ সবার জন্যে ড্যান্স এটা উন্মুক্ত থাকবে। হোয়াইটের সব ধরনের সুযোগ সুবিধাই এখানে পাওয়া যাবে। তবে এই নাইটক্লাবে মদ পাওয়া যাবে না। কারণ সৌদিতে মদ কেনাবেচা অবৈধ। কেউ যদি মদ কেনাবেচা করে তবে তাকে শাস্তি পেতে হয়।

বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির ছোঁয়ার সবকিছুতে যেমন তেলেসমাতি বেড়েছে, একই সঙ্গে বেড়েছে জটিলতাও। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করা ও কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতাও কম নয়। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ম-নীতি ও গোপনীয়তা রক্ষা এবং বাহ্যিক আইনি জটিলতা মোকাবিলা করতে গত এক দশকে বিশ্বে কমপ্লায়েন্স বিভাগের গুরুত্ব বেড়েছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের বিশেষ রীতিনীতি ও পদ্ধতি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দেখভাল করাই হচ্ছে কমপ্লায়েন্স বিভাগের কাজ। প্রতিষ্ঠানের মূলধন থেকে শুরু করে করপোরেট প্রশাসনসহ প্রায় সবকিছুই কমপ্লায়েন্স বিভাগের নজরে থাকে। প্রতিষ্ঠানের খরচ সাশ্রয় করে মুনাফা অর্জনে অবদান রাখে এই বিভাগ। ফলে, বহির্বিশ্বের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তাদের কদর বেশি।

বিশ্বে ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মানি লন্ডারিং ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ২৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ফরাসি আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং গ্রুপ বিএনপি পরিবাসকে এককভাবে ৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার জরিমানা গুনতে হয়েছে। ডেনমার্কের ডেনসকে ব্যাংক, সুইডেনের সুয়েড ব্যাংকসহ ইউরোপ অঞ্চলের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ব্যাংকগুলো এসব কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে জরিমানা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে তারা কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তাদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দিকে ব্যবহার করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল-স্কেল অপারেশন’ তৈরি করতে তাগিদ দিয়েছেন এইচএসবিসি ব্যাংকের প্রধান কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা (সিসিও) সিলন বেল।

বর্তমানে কমপ্লায়েন্স বিভাগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন কাজে কমপ্লায়েন্স বিভাগের তথ্য-উপাত্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে তারা। পাশাপাশি ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট পক্ষের কাছে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে কমপ্লায়েন্স বিভাগ সক্রিয় আছে উল্লেখ করে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা হয়।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের শেষে আমেরিকান ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের ২ লাখ ৪ হাজার কর্মীর মধ্যে ৩০ হাজার জন (১৫ শতাংশ) কমপ্লায়েন্স, ঝুঁকি ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে কর্মরত ছিলেন। ২০০৮ সালের শেষে যা ছিল ৪ শতাংশের সামান্য বেশি। ১০ বছরের ব্যবধানে এই খাতে কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় চার গুণ।

যুক্তরাজ্যের আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল কনডাক্ট অথোরিটির তথ্যমতে, মেক্সিকান কালো টাকা ব্যাংকিং ও অন্যান্য অনিয়মের দায়ে ২০১২ সালে এইচএসবিসি ব্যাংককে ১৯০ কোটি মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়। যদিও এই প্রতিষ্ঠানে আছে অর্থ পাচার প্রতিরোধী (অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বা এএমএল) কমপ্লায়েন্সের পাঁচ হাজার কর্মী। এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংককে ১৮০ কোটি ডলার অর্থদণ্ড করা হয়। আর এ প্রতিষ্ঠানে অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং-বিষয়ক কর্মী আছে সাড়ে তিন হাজার। উভয় ব্যাংক প্রতিটি অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বিষয়ে বছরে ৫০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে। ব্রিটিশ ব্যাংকের বার্ষিক অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বিষয়ে ব্যয় ৫০০ কোটি ডলার। ২০১৪ সালে বিএনপি পরিবাসকে বড় ধরনের জরিমানা করা হয়েছিল। এই প্রতিষ্ঠানে কমপ্লায়েন্স ও অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য রয়েছে প্রায় ১৩ হাজার কর্মী। অর্থাৎ এটা পরিষ্কার করে যে শুধু নিয়মতান্ত্রিক নয়, অনিয়মের ক্ষেত্রেও কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তাদের ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার প্রতিষ্ঠান অ্যাসোসিয়েশন অব সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্টের বিশ্বব্যাপী সদস্যসংখ্যা বাড়ছে। ২০০৭ সালে এর সদস্য সংখ্যা ৫ হাজার ৬০০ থেকে বেড়ে এখন হয়েছে ৭০ হাজার জন। ব্যাংকগুলো শুধু অর্থ কেলেঙ্কারিতে ধরা খায়নি, বরং বাজার শান্ত করতে সাফাই বিজ্ঞাপন প্রচার ও প্রকাশ করে ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। ডেনসকে ব্যাংক বলছে, চলতি বছরে তারা ৬০০ নতুন কমপ্লায়েন্স কর্মী ভাড়া নেবে। ২০১৫ সালের চেয়ে যা চার গুণ বেশি।

কমপ্লায়েন্স খাতে শুধু খরচ বেড়েছে এমন নয়, এই খাত থেকে নানামুখী সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। আগে এই খাতে আইন ও ঝুঁকি বিভাগে সুপ্ত অবস্থায় ছিল। এখন এটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ স্তরে দাপুটে রূপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হেইড্রিক ও স্ট্রাগলের কর্মকর্তা মার্ক জ্যাকসন বলেন, কমপ্লায়েন্স এখন অনেক বেশি প্রভাবশালী খাতে পরিণত হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার পর চাকরির বাজারের অন্যতম আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই খাত। বিশ্বজুড়ে এখন বহুমুখী কাজের দক্ষতাসম্পন্ন কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তাদের জোরালো ভূমিকা ব্যাংকারদের জন্য আতঙ্কের কারণ। অবশ্য এশিয়ার বাংলাদেশ ও ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোয় কমপ্লায়েন্স বিভাগ ততটা শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারেনি। বিশ্বের নামকরা নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাষ্য, মেধাবী আইনজীবী বা আইন বিষয়ে ভালো জানাশোনা ব্যক্তিরা এই খাতে সম্পৃক্ত হতে বেশি আগ্রহী।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এইচটিএফের তথ্যমতে, ২০১৮ সালে বিশ্বব্যাপী রেকটেকের (আর্থিক প্রতিষ্ঠান) বাজার মুনাফা ছিল ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সাল নাগাদ সম্ভাব্য সেই মুনাফা দাঁড়াবে ৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে। ২০১৮ সালে ৮০০ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি ও কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তারা বিশ্বব্যাপী গবেষণা করে দেখেন, পরবর্তী ১২ মাসের মধ্যে তাঁদের ক্ষেত্র ৪৩ শতাংশ বাড়তে পারে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিএনপি পরিবাস বাণিজ্য ও কমপ্লায়েন্স খাতে তাদের কর্মীদের মনোযোগ বাড়াতে উৎসাহিত করছে। কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তাদের দিয়ে কমপ্লায়েন্স-সংক্রান্ত আউটসোর্সিং বা বিশেষ প্রকল্পে কাজ করাচ্ছে। আমেরিকান ফার্ম কমপ্লায়েন্স রিস্ক কনসেপ্টসের ম্যানেজিং পার্টনার মিচ অ্যাভনেট বলেন, বছরে এই খাতে ৩০ শতাংশ চাহিদা বাড়ছে।

বর্ধিত চাহিদা মেটাতে ব্যাংক নিয়ন্ত্রকেরা কী পরিমাণ মানবসম্পদ কমপ্লায়েন্স খাতে নিয়োজিত করবে, সেটা এখন বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। তা ছাড়া পুরোনো ধ্যানধারণার ব্যাংকারদের দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কমপ্লায়েন্স বিভাগ চালানো নিয়েও আছে সংশয়। ফলে, এ খাতে নতুন, তরুণ বা প্রশিক্ষিত দক্ষ জনবল নিয়োগ করা সময়ের দাবি।

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে চাকরি পাওয়া যেমন একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তেমনি সরকারি চাকরি পাওয়া আরও কঠিন। বর্তমান সময়ে পুলিশ ডিপার্টমেন্টে অফিসার পদে দুভাবে নিয়োগ হয়ে থাকে। একটা বিপিএসসির পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে, অন্যটা সরাসরি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক সাব–ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগের মাধ্যমে। বর্তমান সমাজে সাব–ইন্সপেক্টর চাকরির গুরুত্ব কোনো অংশে কম নয়। দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরির মধ্যে এটি সম্মান ও সেবাদানের দিক থেকে প্রথম স্থান দখল করে আছে বলে আমি মনে করি। এবার আসি আসল কথায়। ইতিমধ্যে প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের লিখিত পরীক্ষা আগামী ১৬, ১৭ ও ১৮ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এখন এই বিষয়ে আমার কিছু অভিজ্ঞতা বলছি। আমার শিক্ষাজীবনের সর্বশেষ পরীক্ষা, অর্থাৎ স্নাতকোত্তর শেষ না করতেই চাকরিটা আমার কাছে ধরা দিয়েছিল। কীভাবে এর প্রস্তুতি নিয়ে ছিলাম, চলুন বলা যাক।

ইংরেজি, বাংলা রচনা ও কম্পোজিশন

১.     এ অংশ ভালো করার জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রবন্ধগুলো দেখা যেতে পারে।

২.    সাম্প্রতিক ঘটনার দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

৩.    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিষয়ে অর্থাৎ তাঁর জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ও তাঁর সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে জানতে হবে।

৪.    ভাবসম্প্রসারণের জন্য নবম-দশম শ্রেণির রচনা পার্টের বোর্ড বইটি দেখলে হবে।

৫.    ইংরেজির জন্য Phrase and idioms, Preposition, Right form of verb বিষয়গুলো দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রফেসরের English for competitive exam বইটি সহায়ক হবে বলে মনে করি।

৬.    অনুবাদ অংশে ভালো করার জন্য ইংরেজি পত্রিকা থেকে নিজে নিজে বাংলা করার চেষ্টা করতে হবে। এ ছাড়া ‘মাসিক সম্পাদকীয় সমাচার’ নামে একটি বই পাওয়া যায়, যাতে অনুবাদগুলো সুন্দর করে ছোট আকারে দেওয়া থাকে। এটাও পড় যেতে পারে।

৭.     সর্বোপরি ফ্রি হ্যান্ডরাইটিংয়ে দক্ষতা থাকলে আরও ভালো করা সম্ভব। Composition or Essay writing–এর সময় অযথা, অবাঞ্ছিত শব্দ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সাধারণ জ্ঞান ও পাটিগণিত

১.     সাধারণ জ্ঞান অংশে পত্রিকা পড়ার কোনো বিকল্প নেই। সাম্প্রতিক সবচেয়ে যে বিষয়ে আলোচনা বেশি হয়েছে, সেই বিষয়ে ভালো ধারণা থাকতে হবে। যেমন: রোহিঙ্গা ইস্যু, নিউজিল্যান্ডে হামলা, উত্তর কোরিয়া ইত্যাদি। এ ছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও তার প্রভাব। আন্তর্জাতিক চুক্তি, জঙ্গি সংগঠনের নাম, গোয়েন্দা সংস্থার নাম, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুলিশ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পুলিশ। এ ছাড়া টিকা আকারে প্রফেসরের সাব–ইন্সপেক্টর নিয়োগ গাইডে পাওয়া যাবে।

২.    পাটিগণিত অংশের জন্য একটাই সাজেশন, আর সেটা হলো প্রফেসরের বিসিএসের লিখিত গণিত বইটি। আমিও এটা পড়েছিলাম। শুধু পাটিগণিত অংশটুকু করবেন।

পাটিগণিত থেকে ঐকিক নিয়ম, শতকরা, লসাগু, গসাগু, অনুপাত, সমানুপাত, সুদ, লাভক্ষতি বিষয়ে দেখতে হবে। এ ছাড়া বীজগণিত অংশে সরল আসতে পারে।

মনস্তত্ত্ব

এই অংশে ২৫ নম্বরে ২৫ পাওয়া খুব সহজ। এ অংশের জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়তে হবে। তা ছাড়া ১. Correct Spelling ২. Mental Ability ৩. বিপরীত ও সমার্থক শব্দ, আইকিউ, সম্পর্ক নির্ণয়, সংখ্যা চিহ্নিত, ধারা, টীকা ইত্যাদি আসতে পারে।

সর্বোপরি যে বিষয়টি আপনাকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে, তা হলো আপনার নিজের ওপর আস্থা। হোক ছোট কিংবা বড়, সব প্রশ্নের উত্তর লিখে আসবেন।

লেখক: সাব–ইন্সপেক্টর, ঢাকা মহানগর পুলিশ, ঢাকা।



»