ব্রেকিং নিউজ

টাঙ্গাইলের ইছাপুরে রেজুলেশন ছাড়াই লাখ টাকার ১০টি গাছ বিক্রয়ের অভিযোগ

টাঙ্গাইলের ইছাপুর শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে রেজুলেশন ছাড়াই লাখ টাকার ১০টি গাছ বিক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগঃ

টাঙ্গাইলে কালিহাতী উপজেলার ইছাপুর শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের কোনো রেজুলেশন ছাড়াই লাখ টাকার ১০টি গাছ বিক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
মসজিদের সৌন্দর্য বাড়াতে এসব গাছ কাটা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. নূরুল ইসলাম

বন বিভাগ ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের অনুমতি ছাড়াই গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে বলে নিশ্চত করেছেন টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোছা. লায়লা বেগম।
এলাকাবাসী জানায়, এক বিচারপতি’র ভাই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হওয়ায় এর প্রতিবাদ করতে কেউ সাহস পাচ্ছে না।

বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিশাল বিশাল পুরনো গাছ কেটে দ্রুত সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। এমনকি গাছের গোড়া খুঁড়ে উঠিয়ে গর্ত মাটি ফেলে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান আব্দুল মান্নান মোল্লা জানান, বিদ্যালয়ের গাছ কাটা’র বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

এ বিষয়টি জানার পরপরই আমি প্রশাসনকে জানাই। তারা ব্যবস্থা নিয়েছেন। এই মুহুর্তে গাছ কাটা বন্ধ রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেন, গাছগুলা মসজিদের তাই মসজিদ পরিচালনা কমিটি গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এবিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত দেব নাথ জানান, বিষয়টি আমি জানার পর গাছ কাটাতে নিষেধ করেছি। এই মুহুর্তে গাছ কাটা বন্ধ আছে।
এব্যপারে ইছাপুর গোরস্থান ও মসজিদ কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী তার ভাষায় জানান, এই গাছ গুলা আমার জানামতে স্কুলের। স্কুল যখন গাছগুলা লাগায় তখন এখানে মসজিদ ছিল না।

এব্যাপারে ওই গ্রামের নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক অনেকেই তাদের ভাষায় বলেন, গাছ মসজিদের না স্কুলের। সভাপতি একাই এই কাজ করতেছে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় করা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।

একই মামলায় ২৫ জনকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এ ছাড়া ১৩ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে।

পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজ বুধবার বেলা ১২টার দিকে এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণাকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

যে ছবিতে শ্রদ্ধা কাপুর ভিজবেন, সেই ছবিই ‘হিট’ করবে। অমিতাভ বচ্চনের নায়িকা স্মিতা পাতিল থেকে শুরু করে, কাজল, রানী মুখার্জি, কারিনা কাপুর, সোনম কাপুর, ক্যাটরিনা কাইফ, কৃতি স্যানন থেকে শ্রদ্ধা কাপুর সবার ক্ষেত্রে এই সত্য প্রযোজ্য। মনে করা হয়, বৃষ্টির সঙ্গে ভারতীয় ছবির সাফল্যের যোগ আছে। কিন্তু সাম্প্রতিক পানির সংকটের কারণে ভারতীয় নায়িকারা হয়তো আর বৃষ্টিতে ভিজবেন না।

কুছকুছ হোতা হ্যায় ছবিতে শাহরুখ ও কাজলতামিল ছবির কথাই ধরা যাক। বৃষ্টি সেখানকার ছবির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু তীব্র পানির সংকটের কারণে এখন থেকে তামিল ছবিতে পানির ব্যবহার কমে যাবে। যেটুকু থাকবে, সেটুকুও কম্পিউটারে তৈরি পানি বা বৃষ্টি। সংকটে পড়ে সিনেমায় বন্যা বা সুনামির দৃশ্য দেখাতে ৫০-১০০ ট্যাংক পানি চাইতে পারছেন না ছোট-বড় কোনো পরিচালকই। শিগগিরই শুটিং শুরু হবে বা চলছে, এ রকম ছবিগুলোতেও বৃষ্টির দৃশ্য রাখছেন না কেউই।

হাম তুম ছবিতে রানী মুখার্জি ও সাইফ আলী খানএক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সামনের দেড় বছরের মধ্যে চেন্নাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদসহ ২১টি শহরে পানির তীব্র সংকট তৈরি হবে। ১০ বছরের মধ্যে ভারতের ৪০ শতাংশ মানুষ পান করার মতো পানি পাবে না। ইতিমধ্যে তামিলনাড়ুতে পানির জন্য শুরু হয়ে গেছে হাহাকার। এসব কারণেই সিনেমায় বৃষ্টির দৃশ্য একেবারেই রাখতে চাইছেন না পরিচালকেরা। তামিল পরিচালক জি ধনঞ্জয় জানান, বৃষ্টির দৃশ্য আপাতত বাদ দেওয়া হচ্ছে। পানির অপচয় রোধে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সওয়ারি ছবিতে সোনম কাপুর ও রণবীর কাপুরএই সংকটের কথা মাথায় রেখে কাজ করা হচ্ছে ভারতীয় টেলিভিশনেও। ‘বিগ বস থ্রি’-এর সেটের সুইমিংপুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনে পানি ব্যবহার সেখানে করা বা দেখানো হচ্ছে না। ব্লু ওশান ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন একাডেমির পরিচালকেরা এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। তাঁরা বলেন, খুব বেশি দরকার হলে বড়জোর একটা জানালার সামনে বৃষ্টির দৃশ্য তৈরি করা হবে। এ জন্য দুই বালতি পানিই যথেষ্ট। পুরো একটা মাঠ বা বাড়িকে বৃষ্টিতে ভেজানো পানির অপচয় হবে। ভারতীয় এক টেলিভিশন প্রযোজক জানান, এখনকার এ সংকট যতটা ভয়াবহ, ৮০ ও ৯০-এর দশকে এত খারাপ অবস্থা হয়নি। এখন সব ইন্ডাস্ট্রিতে এই সংকটের রেশ দেখা যাবে। আইটি, হোটেল, সিনেমা সব শিল্পে এই পানির সংকটের প্রভাব পড়বে।

চামেলি ছবিতে কারিনা কাপুরঅভিনেতা অজিতের ‘বিশ্বসম’ এবং রজনীকান্তের ‘কালা’ ছবির বৃষ্টির দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল হায়দরাবাদ ও মুম্বাইতে। ২০১০ সালে করণ জোহর পরিচালিত শাহরুখ খানের ‘মাই নেম ইজ খান’ ছবিতে নিউইয়র্কে বন্যার দৃশ্য তৈরি করতে ২০০ ট্যাংক পানি ব্যবহার করা হয়। মুখেশ ভাটের ‘তুম মিলে’ ছবিতেও এই পরিমাণ পানি ব্যবহার করা হয় মুম্বাইয়ের প্লাবনের দৃশ্য দেখাতে।

দে দানা দান ছবিতে অক্ষয় কুমার ও ক্যাটরিনা কাইফনা দেখিয়ে কী বা করার থাকে? ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘এবিসিডি টু’ ছবিতে ‘বেজুবান ফির সে’ গানে বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে নেচেছেন শ্রদ্ধা কাপুর। বৃষ্টির মতো পয়সা এসে পড়েছে প্রযোজকের পকেটে। ২০১৩ সালে ‘আশিকি টু’ ছবিতেও তাই। শাড়ি পরে বৃষ্টিতে ভেজা শ্রদ্ধা কাপুরের মাথার ওপর জ্যাকেট মেলে ধরেছিলেন নায়ক আদিত্য রায় কাপুর। ব্যস, ছবি হিট। অনেকেই মনে করেন, নায়িকাদের ভেজালেই লোকে ছবি দেখতে যাবে। তবে পানির সংকটের কারণে বৃষ্টিতে ভেজা নায়িকার রোমান্টিক নাচ তামিল ছবিতে আপাতত বন্ধ। পানির সংকটের এলাকাগুলোর সঙ্গে একাত্মতা জানাতে শিগগিরই অন্য অঞ্চলগুলোতেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

রূপায়ণ গ্রুপ নেবে ১০ কর্মকর্তা। আগ্রহী ব্যক্তিরা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারেন।

পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (সেলস)

পদসংখ্যা: ১০

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে কমপক্ষে স্নাতক/বিবিএ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে মার্কেটিং বিভাগের প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন। আবেদনের জন্য প্রার্থীর পূর্ববর্তী কাজের পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। রিয়েল এস্টেট ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মরত বা অভিজ্ঞ প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

বয়স: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর।

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে। এ ছাড়া মোবাইল বিল, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, উৎসব বোনাসসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে।

আবেদনের ঠিকানা: প্রার্থীদের বিডিজবস অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৫ জুলাই, ২০১৯ পর্যন্ত।

ময়মনসিংহ অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে চার পদে ৫৯ কর্মকর্তা নিয়োগ হবে। এ–সংক্রান্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এখানে ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, উপসহকারী প্রকৌশলী ও ভান্ডার কর্মকর্তা পদে নিয়োগ হবে। আগ্রহী ব্যক্তিরা আবেদন করতে পারেন।

যেসব পদে আবেদন

১. পদের নাম: ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১০
বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা
বয়স: অনুর্ধ্ব ৩৫ বছর।

২. পদের নাম: বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ৪২
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
বয়স: অনুর্ধ্ব ৩০ বছর।

৩. পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী
পদসংখ্যা: ৩
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা
বয়স: অনুর্ধ্ব ৩০ বছর।

৪. পদের নাম: ভান্ডার কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ৪
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা
বয়স: অনুর্ধ্ব ৩০ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফরম ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর বা www.fri.gov.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৮ জুলাই অফিস সময় পর্যন্ত।

আবেদনের ঠিকানা: মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, ময়মনসিংহ-২২০১।



»