ব্রেকিং নিউজ

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টে নিয়োগ দেবে যমুনা গ্রুপ

খ্যাতনামা শিল্প প্রতিষ্ঠান যমুনা গ্রুপ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, চট্টগ্রাম অফিসের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

পদের নাম: ম্যানেজার, সিঅ্যান্ডএফ
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর/ সমমান। ১০-১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

পদের নাম: কাস্টমার সরকার
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কমপক্ষে এইচএসসি/ সমমান পাস। ৮-১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

পদের নাম: জেটি সরকার
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক /সমমান। ৮-১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

আগ্রহী প্রার্থীকে ২০ জুলাই, ২০১৯ তারিখ বিকাল ৩টায় যাবতীয় কাগজপত্রসহ সরাসরি ‘ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (মানব সম্পদ ও প্রশাসন), যমুনা গ্রুপ, প্রধান কার্যালয়, যমুনা ফিউচার পার্ক, ক-২৪৪, কুড়িল, প্রগতি সরণি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯’ ঠিকানায় উপস্থিত থাকতে হবে।

যমুনা গ্রুপ

বিজ্ঞপ্তি:

মার্টিন গাপটিল ঝাঁপ দিলেন। ওদিকে জস বাটলারও ঝাঁপ দিলেন বল ধরে স্টাম্প ভাঙার জন্য। অনেক পিছিয়ে থাকা গাপটিলের পক্ষে সম্ভব হলো না বাটলারকে পেছনে ফেলা। ভাঙল স্টাম্প, সুপার ওভারেও হলো টাই। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড দুই দলই ১৫ রান নিয়েছে। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথম সুপার ওভারও শেষ হলো টাইয়ে!

টাই হলেও বাটলার কেন অত আনন্দ নিয়ে ছুটতে লাগলেন? জো রুট কেন বেয়ারস্টোকে জড়িয়ে ধরে ওভাবে চিৎকার করতে লাগলেন? বোলার জফরা আর্চারই বা কেন ওভাবে কী করবেন বুঝতে না পেরে একা একাই উদ্‌যাপন করতে লেগে গেলেন! লর্ডসের বিখ্যাত গ্যালারিও কেন নিজেদের সেই ঐতিহ্যের গাম্ভীর্য ভুলে ওভাবে আনন্দের আতিশয্যে ভাসতে লাগল?

কারণ, সুপার ওভারের নিয়ম। সুপার ওভারে যদি দুই দল সমান রান করে তখন বাউন্ডারির হিসাব চলে আসে। মূল ম্যাচ ও সুপার ওভার মিলিয়ে যে দল সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি মারবে তারাই জিতবে সুপার ওভার। সেখানে যদি দুই দলে সমতা থাকে তখন দেখা হবে সুপার ওভারে কারা বাউন্ডারি বেশি মেরেছে তার। সুপার ওভারে জিমি নিশাম নিউজিল্যান্ডের পক্ষে একটি ছক্কা মেরেছেন, ওদিকে বাটলার ও স্টোকস মেরেছেন দুই চার।

কিন্তু সমতা হলে ইংল্যান্ড জিতবে সেটা আগেই জানা ছিল। নিউজিল্যান্ড মূল ইনিংসে ১৬টি বাউন্ডারি মেরেছিল। আর ইংল্যান্ড মেরেছিল ২৪টি। ফলে সুপার ওভারে নিউজিল্যান্ড যত বাউন্ডারিই মারুক না কেন ইংল্যান্ডকে টপকাতে পারত না তারা। আর এ কারণেই সুপার ওভারে টাই হওয়ার পরও কোনো চিন্তা ছাড়া পাগলাটে আনন্দে মাতল ইংল্যান্ড। তিনটি ফাইনাল হারার দুঃখ ভুলে লর্ডসেই ট্রফি নিয়ে উদ্‌যাপন করল ইংল্যান্ড।

সংবাদ সম্মেলনে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েজ, বিওয়াইএলসির প্রেসিডেন্ট এজাজ আহমেদ, নেদারল্যান্ডস এম্বাসির প্রিন্স কন্সটান্টিন ও এসবিকে টেক ভেঞ্চারের প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী সোনিয়া বশির কবির।আইকিয়া ফাউন্ডেশন ও নেদারল্যান্ডস এম্বাসির সহযোগিতায় বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার(বিওয়াইএলসি) ১০ হাজার তরুণকে প্রশিক্ষণ দেবে। নতুন এই প্রকল্পের আওতায় ৪০০০ তরুণ-তরুণীকে চাকরি ও ৩০টি ব্যবসা উদ্যোগকে মূলধন সরবরাহ করা হবে।

আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকল্পটি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিওয়াইএলসির প্রেসিডেন্ট এজাজ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশি তরুণদের জন্য টেকসই ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নামের চার বছর মেয়াদি নতুন একটি প্রকল্প শুরু করছি। একুশ শতকে চাকরির বাজারে ভালো করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে তরুণদের তৈরি করতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনলাইন ও ক্লাসরুমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। এই প্রকল্পের আওতায় ৩০ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বাছাই করে ব্যবসা বৃদ্ধিতে মূলধন সরবরাহ ছাড়াও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও কো-ওয়ার্কিং স্পেসসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা
হবে যাতে করে তারা ব্যবসা শুরু করার প্রথম বছরে অন্তত ২০০ জন মানুষের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে।

সম্মেলনে নেদারল্যান্ডস এম্বাসির প্রিন্স কন্সটান্টিন বলেন এটি এমন একটি প্রকল্প যা তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ভালো চাকরি পেতে সাহায্য করবে, যা তাদের আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবন মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। এই প্রকল্পের আওতায় নিম্ন আয়ের পরিবারের ১০ হাজার তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন দক্ষতার ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে যাতে করে তারা কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করতে পারে। এ ছাড়া ৪ হাজার তরুণ-তরুণীকে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ও নিয়োগকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাকরি পেতে সাহায্য করা হবে। এটি তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের অভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত উদ্যোগ।

বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েজ বলেন, নেদারল্যান্ডস দূতাবাস বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্মকে দক্ষতাসহ জীবিকা নির্বাহের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নে অংশ হতে পেরে আনন্দিত।

এসবিকে টেক ভেঞ্চারের প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী সোনিয়া বশির কবির বলেন, বেকারত্ব দূর করার অন্যতম উপায় হল নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা। প্রশিক্ষণের সঙ্গে সঙ্গে উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে নতুন কর্ম সংস্থান তৈরির এই উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়।



»