ব্রেকিং নিউজ

জিম্বাবুয়ের বাংলাদেশ সফরের সূচি

জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দল বাংলাদেশের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ঢাকায় আসবে শনিবার। বৃহস্পতিবার বিসিবির একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ওইদিন বিকেল ৫টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে দলটির। ১২ মার্চ ঢাকা ত্যাগ করবে জিম্বাবুয়ে দল।

দু’দল এক ম্যাচের টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। শুরুতে মাঠে গড়াবে দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ। বাংলাদেশের পাকিস্তান সফরের দ্বিতীয় ধাপ শেষ হওয়ায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই ঘরের মাঠে নামবে টাইগাররা।

জিম্বাবুয়ের বাংলাদেশ সফরের সূচি:
১৫ ফেব্রুয়ারি: জিম্বাবুয়ের আগমন
১৮-১৯ ফেব্রুয়ারি: দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ
২২-২৬ ফেব্রুয়ারি: একমাত্র টেস্ট
০১ মার্চ: প্রথম ওয়ানডে
০৩ মার্চ: দ্বিতীয় ওয়ানডে
০৬ মার্চ: তৃতীয় ওয়ানডে
০৯ মার্চ: প্রথম টি-টোয়েন্টি
১১ মার্চ: দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি
১২ মার্চ: জিম্বাবুয় দলের ঢাকা ত্যাগ

প্রতিটি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হবে দিবা-রাত্রির।

অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশ্বকাপ জয়ের সুবাদে বিসিবি কার্যালয়ে আজ কাচ্ছি বিতরন করা হয়েছে।

বিশ্বকাপ জিতেছে যুবারা। বিসিবি পাড়া সরগরম অবস্থা বিরাজ করবে, এটাই স্বাভাবিক। যেন উৎসব উৎসব ভাব পুরো বিসিবি কার্যালয়ে। ক্রিকেট বোর্ডের সকল কর্মকর্তারা ও সাংবাদিকদের জন্য মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করেছে বিসিবি। পুরো বিসিবিতে কাচ্চি বিরিয়ানি বিতরণের পর মিষ্টি মুখ করার আয়োজন করা হয়েছে।

দুপুর নাগাদ বিসিবিতে উপস্থিত হন বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান ও অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকরা। ঘণ্টাখানেক বৈঠক শেষে সাংবাদিকের সঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে সংবর্ধনা দেওয়া নিয়ে কথা বলেছেন বোর্ড প্রধান। বলেছেন, ‘১২ তারিখে তারা আসবে এখানে। ওদের মধ্যে অনেকেই কিন্তু বিরাট ত্যাগ স্বীকার করেছে। যেটা আমরা সচরাচর দেখি না। এরা অনেকেই ত্যাগ স্বীকার করেছে প্রচুর কষ্ট করেছে। যতটুকু বুঝতে পারছি তারা বাড়ি ফিরতে মুখিয়ে আছে। পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চায় যত দ্রুত সম্ভব। আমরা যেটা করছি ১২ তারিখে সকালে তারা আসবে। আমরা এয়ারপোর্টে যাব তাদের অভ্যর্থনা জানাতে। এরপর ওরা একাডেমিতে আসবে। বিশ্রাম করবে। দুপুরে ওদের সঙ্গে আমরা মধ্যাহ্নভোজ করব। এরপর ওদের ছেড়ে দেব।’

এ ছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে বড় আকারে সংবর্ধনা ও পুরস্কার ঘোষণা দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে ক্রিকেট বোর্ড। নাজমুল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ফাইনালে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালের দেখা পেল যুবারা

জয় এনে দিলেন বহু আকাঙ্ক্ষিত সে জয়। দুই দশক ধরে যা করা সম্ভব হয়নি, সেটাই করে দেখালেন মাহমুদুল হাসান। জয় ডাকনামের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের দারুণ এক ইনিংস বাংলাদেশকে যেকোনো ধরনের ক্রিকেটে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বাদ এনে দিল আজ।

সাকিব-তামিম-মুশফিকেরা পারেননি। ঘরের মাঠে ফেবারিট তকমা গায়ে লাগিয়েও সেটা করে দেখানো হয়নি মেহেদী হাসান মিরাজ-সাইফউদ্দিনদের। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তাই ফেবারিটের ছোট তালিকায় বাংলাদেশ ছিল না। কিন্তু মাহমুদুল-তৌহিদ-শরিফুলদের দল সব হিসাব বদলে দিয়ে চলে গেল ৯ ফেব্রুয়ারির ফাইনালে। সেখানে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত।

পচেফস্ট্রুমের মাঠ বাংলাদেশের জন্য বহু পরিচিত হয়ে উঠেছে। এখানেই থিতু হওয়া বাংলাদেশ দল এ মাঠেই কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সেমিতে উঠেছিল। এ মাঠেই নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের দাপট দেখাল বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের ছুড়ে দেওয়া ২১২ রানের লক্ষ্য ৬ উইকেট হাতে রেখেই ছুঁয়েছে বাংলাদেশ দল। ম্যাচের বাকি ছিল আরও ৩৫ বল।

পচেফস্ট্রুমে পরে ব্যাট করলে স্পিনাররা দাপট দেখান। তবু আজ ফিল্ডিং বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ। সিদ্ধান্তটা যে সঠিক ছিল, সেটা প্রমাণ করেছেন বোলাররা। প্রথম ২০ ওভারে নিউজিল্যান্ডকে একদম চেপে ধরেছিলেন তাঁরা। ২১তম ওভারে যখন তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ফার্গুস লেলম্যান ফিরছেন, দলের রান তখন মাত্র ৫৯। ইনিংসের অর্ধভাগ পেরোনোর সময়ও নিউজিল্যান্ডের রান ছিল ৭৪। ওই রানেই চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে কিউই যুবারা।

এরপরই প্রতিরোধ শুরু হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের। লিডস্টোনকে নিয়ে ৬৭ রানের জুটি গড়েছেন বেকহাম হুইলার গ্রিনাল। শেষ ১০ ওভারে এ দুজন ঝড় তোলার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু তখনই আঘাত হেনেছেন শরিফুল ইসলাম। লিডস্টোনকে (৪৪) বোল্ড করে দেন এই বাঁহাতি পেসার। অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পতন হলেও হুইলার গ্রিনাল একপ্রান্ত ধরে রেখেছেন। তাঁর কারণেই দুই শ পেরোতে পেরেছিল নিউজিল্যান্ড। প্রথম ৮ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ২ উইকেট পাওয়া শরিফুলের শেষ দুই ওভারে ৩০ রান দিতে বাধ্য হয়েছেন গ্রিনালের কারণেই। ৭৫ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন এই ব্যাটসম্যান।

পচেফস্ট্রুমে স্পিনাররা দাপট দেখাচ্ছেন এবার। নিউজিল্যান্ড দলেও আছেন তিনজন স্পিনার। তাই বাংলাদেশের কাজটা সহজ ছিল না। প্রথম ১০ ওভারের মধ্যে দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ও তানজিদ হাসান ফিরে যাওয়ায় শঙ্কাও জেগেছিল। আরও একবার সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হবে না তো। ৬৮ রানের জুটিতে হৃদয় ও মাহমুদুল পরিস্থিতি সামাল দিলেন। শাহাদাতকে নিয়ে আরেকটি ১০১ রানের জুটিতে ম্যাচ নিয়ে শঙ্কা শেষ করলেন। দারুণ স্ট্রোক প্লের সঙ্গে স্ট্রাইক বদলে নিয়ে কখনো চাপ বাড়াতে দেননি। নিজের সেঞ্চুরি পেয়েই অবশ্য ফিরেছেন মাহমুদুল। ১২৭ বলে ১০০ করা মাহমুদুল ফিরলেও জয় না নিয়ে মাঠ ছাড়েননি শাহাদাত (৪০*)।

ভারতের মাটিতে পরপর দু’বার ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই ঘরে ফিরছে অস্ট্রেলিয়া। তার আগে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন তাঁর বিপক্ষ অধিনায়ককে। বলে দিচ্ছেন, বিরাট কোহলি সম্ভবত সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার। সর্বকালের সেরাদের তালিকায় রোহিত শর্মাকে প্রথম পাঁচে রাখছেন ফিঞ্চ।

বেঙ্গালুরুতে শেষ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভারতকে ২৮৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু রোহিতের ১১৯ এবং কোহলির ৮৯ রানের সৌজন্যে খুব সহজেই সে রান টপকে যায় ভারত। সিরিজ জেতে ২-১। ফিঞ্চ বলেছেন, ‘‘ভারতের হাতে বিরাট আছে। যে সম্ভবত সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার। আর রোহিত সর্বকালের প্রথম পাঁচ জন ওয়ানডে ব্যাটসম্যানের মধ্যে পড়বে। ওরা অসাধারণ। ভারতের এই দলটার বৈশিষ্ট হল, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ওদের অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররাই আসল খেলাটা খেলে দিচ্ছে।’’

২০২৪ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে পরিচিত করতে চায় ক্রিকেট বোর্ড

বাংলাদেশ সর্বশেষ বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে প্রায় অর্ধ যুগ হয়ে গেল। আর যদি ওয়ানডে বিশ্বকাপের কথা তোলা হয়, তবে তো প্রায় এক দশক। ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ মূল আয়োজক ছিল না। ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজনের সুযোগ পাওয়া বাংলাদেশ সেবার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ পেয়েছিল। বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্য পূর্ণাঙ্গভাবে একটি বিশ্বকাপ আয়োজনের।

২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আইসিসির সব ইভেন্টের বণ্টন শেষ। ২০২৪ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে আইসিসি ছেলেদের আটটি, মেয়েদের আটটি ও আটটি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। এই ২৪টি আইসিসির টুর্নামেন্টের স্বাগতিক নির্বাচন হবে বিডিং (স্বাগতিক হওয়ার জন্য আবেদন) প্রক্রিয়ায়। এই প্রক্রিয়ায় যাওয়ার আগে আইসিসি বুঝতে চাইছে কোন কোন দেশ স্বাগতিক হওয়ার সক্ষমতা রাখে। আইসিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশ সফর করে সরকারকে যেমন বোঝাচ্ছেন, তেমনি নিজেরাও বুঝতে চাইছেন, আইসিসি ইভেন্টের আয়োজক হলে কীভাবে দুই পক্ষ লাভবান হওয়া যাবে।

এক দিনের সফরে আজ ঢাকায় এসেছেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী (সিইও) মানু সোয়ানি ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক (কমার্শিয়াল জেনারেল ম্যানেজার) ক্যাম্পবেল জেমিসন। বিসিবির শীর্ষ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দুজন বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও। আইসিসির শীর্ষ দুই কর্মকর্তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে কাল বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান সাংবাদিকদের বললেন, ‘এর আগে আইসিসির ইভেন্টগুলো হতো সেটার সঙ্গে এখনকারের প্রক্রিয়ায় পার্থক্য আছে। আগে যেটা হতো, ঘুরে ঘুরে, কখনো মহাদেশের ভিত্তিতে, কখনো সদস্যদেশগুলোর অগ্রাধিকার, এসব ছিল। এবার হবে বিডিং প্রক্রিয়ায়, যেটা ফিফা এবং অলিম্পিকে হয়ে থাকে। দেশগুলো বিড করে। এখন থেকে ক্রিকেটেও বিভিন্ন দেশ বিড করবে, শুধু ক্রিকেট খেলুড়ে দেশে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’

আইসিসি যদি বিডিং পদ্ধতিতে যায়, বিসিবি সভাপতি নিশ্চিত করলেন তাঁরা অবশ্যই আইসিসি ইভেন্টের স্বাগতিক হতে আবেদন করবেন। ভবিষ্যতে স্বাগতিক হতে তাঁরা যে অন্য অনেক দেশের তুলনায় এগিয়েও থাকবে, সেটি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন নাজমুল, ‘বাংলাদেশ অবশ্যই বিড করবে। আমাদের সুবিধা হচ্ছে যে অন্য কোনো দেশ হুট করে করতে গেলে যে অবকাঠামো লাগে সেটা আমাদের প্রায় আছে। নতুন করে অবকাঠামো নির্মাণে সরকারকে খুব বেশি বিনিয়োগ করতে হবে না।’

২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আইসিসির বেশির ভাগ টুর্নামেন্ট নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছে ‘তিন মোড়ল’—ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কা তেমন কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারেনি। বিসিবি সভাপতির কথায় বোঝা যাচ্ছে, সামনে বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে আটঘাট বেঁধেই নামবে বাংলাদেশ।

এ ভাবে কেউ আউট হয়! সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার জেমস প্যাটিনসন যে‌ ভাবে আউট হলেন, তা দেখে বিস্মিত ক্রিকেটভক্তরা। রিপ্লে দেখলে প্যাটিনসনও হয়তো লজ্জাই পাবেন।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ আগেই জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সিডনির তৃতীয় ও শেষ টেস্টে মারনাস লাবুশানে ২১৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছেন। অজিদের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৪৫৪ রানে।ম্যাচের ১৪৩তম ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন প্যাটিনসন। কিউই বোলার নিল ওয়াগনার শর্ট বল করার চেষ্টা করেছিলেন। বল যতটা উঠবে ভেবেছিলেন প্যাটিনসন, ততটা ওঠেনি।

বলের গতিপথ থেকে চোখ সরিয়ে নেন প্যাটিনসন। ওয়াগনারের ডেলিভারি অজি বাঁ হাতির শরীরে এসে লাগে। তার পর সেই বল তার ব্যাটে লেগে উইকেটে আঘাত করে। বল যাতে উইকেটে না লাগে, সেই চেষ্টা করেছিলেন প্যাটিনসন। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। বল উইকেটে লেগে বেল পড়ে যায়। স্কোর বোর্ডে প্যাটিনসনের নামের পাশে লেখা ২ রান।

এর আগেও অদ্ভুত ভাবে আউট হয়েছেন অজি এই বাঁ হাতি। গত বছরের মার্চে শেফিল্ড শিল্ডের ম্যাচে ট্রেন্ট কুপল্যান্ডের বল ডিফেন্স করতে গিয়ে সেই বল ব্যাটে লাগিয়ে বোল্ড হন প্যাটিনসন।

কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম এবং নেইল ওয়াগনার নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট নেন টড অ্যাসল এবং ১ উইকেট নেন ম্যাট হ্যানরি ও সমারভিলে।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

বিশ্বকাপ খেলতে কাল দক্ষিণ আফ্রিকায় রওনা দিচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ১৮ জানুয়ারি। সফর-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে দলের অধিনায়ক-কোচ জানিয়ে গেলেন তাঁদের স্বপ্ন-আশার কথা।

যুব বিশ্বকাপে অংশ নিতে কাল সন্ধ্যায় দক্ষিণ আফ্রিকায় রওনা দিচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই টুর্নামেন্টে প্রতিবার বড় স্বপ্ন নিয়ে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু বেশির ভাগ টুর্নামেন্ট শেষ হয়েছে স্বপ্নভঙ্গের বেদনায়। দেশের মাঠে অনুষ্ঠিত ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়াই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য। অথচ প্রতিবারই দলে থাকে প্রতিভাবান সব ক্রিকেটারের ছড়াছড়ি।

এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে এ দলটা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একটু বেশি আশাবাদী হচ্ছে অন্য কারণে। সেই কারণটা কী, গত ২৬ ডিসেম্বর বিশ্বকাপগামী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গে ফটোসেশন শেষে বলেছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে ওরা। ভালো ফলও পেয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস দক্ষিণ আফ্রিকাতেও ভালো করার সামর্থ্য ওদের আছে। কয়েকটা ছেলে তো অসাধারণ খেলছে এবং অনেক সম্ভাবনা আছে তাদের। ওদের বলেছি আমি এখনো দক্ষিণ আফ্রিকা যাইনি। জাতীয় দলের খেলা দেখতেও না। এই টুর্নামেন্টে ওরা সেমিফাইনালে উঠলে যাব।’

বিসিবি সভাপতি ঠিকই বলেছেন। বর্তমান দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড় দীর্ঘদিন খেলছেন এক সঙ্গে। এক সঙ্গে খেলায় খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়া আর সমন্বয়টা দারুণ। সেটির ফলও বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল গত কিছুদিনে পেয়েছে। গত এক বছরে ২২ যুব ওয়ানডের ১৬টিই জিতেছে বাংলাদেশ। বেশির ভাগ জয় এসেছে বিদেশের মাঠে। খেলেছে এশিয়া কাপ ও ইংল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল। বিসিবি সভাপতি যে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে ওঠার কথা বললেন, পারবেন যুবারা? বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক আকবার আলী আশাবাদী, তাঁরা ভালো কিছু উপহার দিতে পারবেন সবাইকে, ‘আমাদের দলটা ফাইনালেও যেতে পারে বলে বিশ্বাস করি। গত কদিন যেভাবে খেলেছি, আশা করি আমরা খুব ভালো কিছু করব। সভাপতি (বিসিবি) যেটা বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি তাঁকে নিয়ে যেতে পারব (দক্ষিণ আফ্রিকায়)!’

আকবর অবশ্য সফর পূর্ব সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই বলেছেন, এখনই অত দূরে চোখ নয়, তাঁরা এগোতে চান ম্যাচ ধরে ধরে। আপাতত তাঁদের লক্ষ্য গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোনো। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, স্কটল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে। বিশ্বকাপ-অভিযানে কাল রওনা দিয়ে পরশু ভোরে জোহানেসবার্গে পৌঁছাবে বাংলাদেশ। পচেফস্ট্রুমে ৪ জানুয়ারি শুরু হওয়া ছয় দিনের একটা ক্যাম্প করবেন আকবাররা। কন্ডিশনিং ক্যাম্পে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ তো আছেই। টুর্নামেন্টে শুরুর আগে আইসিসির সূচি অনুযায়ী আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের মূল পর্বে পা রাখার আগে চারটি ম্যাচ, গত দুই বছরের সাফল্য, দলের দারুণ সমন্বয়—আকবারদের এই তো সুযোগ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস রচনা করার।

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের সৌজন্যে আবারও বন্ধু মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পথ চলা শুরু সৈয়দ রাসেলের। এক সঙ্গে পথ চলা হলেও দুজনের ভূমিকা আগের মতো এক নয়। মাশরাফি ঢাকা প্লাটুনের অধিনায়ক। রাসেল সে দলের বোলিং কোচ।

দুজনই ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন প্রায় একই সময়ে। যদিও মাশরাফি বাংলাদেশ দলে এসেছেন রাসেলের চার বছর আগে। তবে দুজনই সমবয়সী এবং একই অঞ্চল থেকে উঠে আসায় সম্পর্কটা শুধুই সতীর্থে সীমাবদ্ধ থাকেনি, হয়েছেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। রাসেলের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থেমে গেছে ৯ বছর আগে। ঘরোয়া ক্রিকেটে তবুও থেমে থেমে চলছিলেন।

এই বিপিএল দিয়ে নতুন এক পর্বে পা দিলেন রাসেল। ঢাকা প্লাটুনে তিনি কাজ করছেন মাশরাফিদের বোলিং কোচ হিসেবে। কাজটা রাসেল বেশ উপভোগ করছেন। অনেকের কৌতূহল, মাশরাফির মতো অভিজ্ঞ বোলারকে তিনি কী শেখাতে পারেন। রাসেল পরিষ্কার করছেন তাঁর ভূমিকা, ‘আমি যদি এখন মাশরাফিকে শেখাতে যাই, এটা আসলে সাজে না। হ্যাঁ, আমরা নিজেদের ভাবনা বিনিময় করি। আমরা অভিজ্ঞতা শেয়ার করি।’

লম্বা বিরতিতে ক্রিকেটে ফিরেছেন মাশরাফি। রাসেলের আশা, দীর্ঘ দিন ক্রিকেটে না থাকলেও নিজেকে ফিরে পেতে খুব একটা বেগ পেতে হবে না বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ককে, ‘ওর বোলিংয়ে খুব একটা যে কিছু করতে হবে তা না। ফিটনেস নিয়ে একটু কাজ করলেই ওর বোলিং ভালো হবে। সে যদি দুই বছর পরে এসেও বোলিং করে, বল মনে হয় জায়গায় পড়বে।’

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে নিজেদের ইতিহাসে গোলাপি বলের প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ৪৬ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে আগে ব্যাটিং নেয়াটা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপনের কাছে আশ্চর্যজনক মনে হয়েছে। এ কারণে হারের পর বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন তিনি।

বিসিবি প্রেসিডেন্টের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলেছেন টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক। রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে মুখ খোলেন তিনি।   মুমিনুল হক বলেন, ‘উনি (বিসিবি প্রেসিডেন্ট) হয়তো বলেছেন, আমি তো সামনে ছিলাম না। এটা নিয়ে আমি কোনো কমেন্টস করতে পারব না। এটা বলার জন্য আমি সঠিক ব্যক্তি না।’ এর আগে খেলা শেষে পাপনকে দেখা গেসে ড্রেসিং রুমের সামনে কোচের সঙ্গে কথা বলতে।

ম্যাচ হারা প্রসঙ্গে টেস্ট অধিনায়ক বলেন, আমার কাছে মনে হয় আমরা টিম হিসেবে খেলতে পারিনি। ব্যাটিং বলেন বোলাররা ভালো বল করেছে। আমার মনে হয় উন্নতি করার অনেক জায়গা আছে, সেগুলো উন্নতি করতে পারলে সামনে অনেক টেস্ট ম্যাচ আছে ভালো করতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, আমি এভারেজ নিয়ে এত মাথা ঘামাচ্ছি না, দল খারাপ করেছে এটা নিয়ে ভাবছি। যখন খারাপ করে তখন সবারই খারাপ লাগে। হয়তো আমি স্ট্রাগল করছি, স্ট্রাগল মানুষকে ভালো কিছু দেয়। আপনারা সবাই অবগত যে টেস্ট হয়তো খেলা হয় না, আমার কাছে মনে হয় সামনে অনেক টেস্ট ম্যাচ আছে প্রায় ১০টা টেস্ট ম্যাচ আছে। আমরা যখন একসাথে অনেক টেস্ট ম্যাচ খেলব, আপনি যে প্রশ্নটা করেন সেটা আস্তে আস্তে ওভারকাম হবে।

মুমিনুল বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় লাল বল আর গোলাপি বল না, লাল বলের চেয়ে গোলাপি বলের চ্যালেঞ্জটা বেশি থাকে। বিশেষ করে নতুন বলে চ্যালেঞ্জটা বেশি। আমরা যদি নতুন বলের চ্যালেঞ্জ নিতে পারতাম, আপনি দেখেন যে শেষের দিকে যখন শিশির পড়ার পর শুরু হলো তখন জিনিসটা সহজ হয়ে গিয়েছিল। আমার কাছে মনে হয় পিংক বলে নতুন বলের চ্যালেঞ্জটা বেশি, যেটার চ্যালেঞ্জটা নিতে পারিনি যে কারণে পিছিয়ে গেছি।’

ভারতের বিপক্ষে শুক্রবার শুরু হওয়া দিবারাত্রির ঐতিহাসিক টেস্টে দলের বাজে অবস্থায় শনিবার ইডেনে দ্বিতীয় দিন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পাপন। সে সময় তিনি বলেন, ‘আমরা টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় দুর্বল দল।’

পাপন বলেন, ‘প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং নেওয়ায় সত্যিই আশ্চর্য হয়েছি, আমরা সকলেই হয়েছি। বেশি আশ্চর্য হয়েছি আগের দিন টিমের সাথে আমি বসেছি। কোচ-অধিনায়ক দুজনেই বলেছেন টসে জিতলে ফিল্ডিং নেব।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রথম টেস্টে টস জিতে আগে ব্যাটিং নিয়েছিল। কিন্তু শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে ১৫০ রানে গুটিয়ে যায়। দ্বিতীয় টেস্টেও টস জিতে ব্যাটিং নেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। এই টেস্টে প্রথম টেস্টের চেয়েও অবস্থা বেশি খারাপ। ১০৬ রানেই গুটিয়ে যান মুমিনুলরা।

ইতিহাসখ্যাত, অভিজাত ইডেন গার্ডেনের মুকুটে নতুন পালক যোগ হচ্ছে শুক্রবার। শুধু ইডেন নয়, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরও সোনালি দিন আজ। সাদা পোশাকে দুই দলেরই অভিষেক হচ্ছে গোলাপি বলে। ঠিক ১৯ বছর আগে যেভাবে ইতিহাসের পাতায় সোনালি কালিতে ব্র্যাকেটবন্দী হয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলী, নাইমুর রহমান দুর্জয়রা। আজ সোনার কয়েনে টস করে একইভাবে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিচ্ছেন মুমিনুল হক ও বিরাট কোহলি। গোলাপি বলে দিনরাতের টেস্টকে আতিথেয়তা দিতে কলকাতা সেজেছে গোলাপি রঙে।

তবে টেস্ট ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করতে এর আগে আরও ১১টি দিবারাত্রির টেস্ট ম্যাচ আয়োজিত হয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি হতে যাচ্ছে ক্রিকেট ইতিহাসের ১২তম দিবারাত্রির টেস্ট ম্যাচ।দেখে নেওয়া যাক দিবারাত্রির গোলাপি বলের টেস্ট ম্যাচের কিছু খুঁটিনাটি তথ্য:

* ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো অ্যাডিলেডে দিবারাত্রির টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। গোলাপি বলের সেই ম্যাচে অংশ নেয় অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড।

* অ্যাডিলেডে আরও দুটি দিবারাত্রির টেস্ট জিতেছে অজিরা। ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে কিউইদের ৩ উইকেটে হারানোর পর একই ভেন্যুতে ২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ উইকেটে এবং ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডকে ১২০ রানে হারায় দলটি।

* দিবারাত্রির টেস্টে এখন পর্যন্ত সফল দল অস্ট্রেলিয়া। নিজেদের পাঁচ দিবারাত্রির টেস্টের সবকটি জিতেছে অজিরা।

* দিবারাত্রির টেস্টে বাকি দুটি ম্যাচের একটিতে ২০১৬ সালে পাকিস্তানকে ব্রিসবেনে ৩৯ রানে এবং অপরটিতে একই ভেন্যুতে শ্রীলঙ্কাকে ইনিংস ও ৪০ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়া।

* তিনটি দিবারাত্রির টেস্ট খেললেও সবকটিতেই হেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

* শ্রীলঙ্কা তাদের তিন ম্যাচের দুটিতে জিতেছে।

* পাকিস্তানের আজহার আলি গোলাপি বলে সর্বোচ্চ রান করেছেন। ৯১ গড়ে ৬ ইনিংসে তিনি করেছেন ৪৫৬ রান।

* দিবারাত্রির টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ ৪ টেস্টে একটি সেঞ্চুরি আর তিনটি ফিফটিতে ৫০.৬২ গড়ে করেছেন ৪০০ প্লাস রান।

* ফ্লাডলাইটের কৃত্রিম আলোয় একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে ত্রিপল সেঞ্চুরি করেছেন পাকিস্তানের আজহার আলি।

* পাকিস্তানের আসাদ শফিক দিবারাত্রির টেস্টে একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে দুটি সেঞ্চুরির দেখা পান।

* অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার মিচেল স্টার্ক দিবারাত্রির টেস্টে ৫ ম্যাচ খেলে তুলে নিয়েছেন ২৬ উইকেট। একবার তিনি ইনিংসে ৫ উইকেট নেন।

* ২২ উইকেট নিয়ে এই তালিকায় দুইয়ে আরেক অজি পেসার জস হ্যাজেলউড।

* দিবারাত্রির টেস্টে বেস্ট বোলিং ফিগার ১৩.৫ ওভারে ৪৯ রানে ৮ উইকেট। ২০১৬ সালে দুবাইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েন ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেগ স্পিনার দেবেন্দ্র বিশু।

* চলতি বছর জানুয়ারিতে ব্রিসবেনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার আরেক পেসার প্যাট কামিন্স নিয়েছিলেন ২৩ রানে ৬ উইকেট।

* দিবারাত্রির টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসের মালিক পাকিস্তানের আজহার আলি। ২০১৬ সালে দুবাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনি করেন অপরাজিত ৩০২ রান।

* সাদা পোশাকে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রানের মালিক স্যার অ্যালিস্টার কুক বার্মিংহ্যামে ২০১৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করেছিলেন ২৪৩ রান।

* এছাড়া, দিবারাত্রির টেস্টে সেঞ্চুরির তালিকায় নাম লিখেছেন হেনরি নিকোলস, উসমান খাজা, আসাদ শফিক, জো রুট, স্টিভ স্মিথ, শন মার্শ, আইডেন মার্কারাম, ফাফ ডু প্লেসিস, ড্যারেন ব্রাভো, পিটার হ্যান্ডসকম্ব, স্টিফেন কুক এবং কেন উইলিয়ামসন।

* নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট এবং পাকিস্তানের স্পিনার ইয়াসির শাহ দুবার করে দিবারাত্রির টেস্টে ৫ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছেন।

* জেমস অ্যান্ডারসন, দেবেন্দ্র বিশু, প্যাট কামিন্স, জস হ্যাজেলউড, জেসন হোল্ডার, সুরাঙ্গা লাকমল, কেশব মহারাজ, মরনে মরকেল, দিলরুয়ান পেরেরা, মিচেল স্টার্করা ইনিংসে ৫ বা তার বেশি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন।



»