ব্রেকিং নিউজ

চলতি জুন মাসেই হবে মাধ্যমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা আগামী জুন মাসে হতে পারে বলে জানিয়েছে পিএসসির একটি সূত্র। ওই পরীক্ষায় ১ হাজার ৩৭৮ পদের বিপরীতে প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছেন।

পিএসসি সূত্র জানায়, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা দেওয়ার পর প্রথমবারের মতো সরাসরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে ৮ অক্টোবর শেষ হয়।

পরীক্ষা কবে হবে—এ নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছেন প্রার্থীরা। তাঁরা জানান, সাত মাস আগে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের আবেদন নেওয়া হয়েছে। এখনো পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেনি পিএসসি। তাই শিগগিরই পরীক্ষার তারিখের ঘোষণা চান তাঁরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহম্মদ সাদিক প্রথম আলোকে বলেন, বিভিন্ন বিসিএস ও সিনিয়র স্কেল পরীক্ষা এবং নন–ক্যাডার নিয়োগ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে পিএসসি। মাধ্যমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছেন। বিপরীতে পদ আছে ১ হাজার ৩৭৮। তাঁদের পরীক্ষা আগামী জুনের শেষ দিকে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এই সময়েই পরীক্ষা হবে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে বাংলায় ৩৬৫ জন, গণিতে ২০৫ জন, জীববিজ্ঞান ১১৮ জন, ইংরেজিতে ১০৬ জন, ধর্মে ১৭২ জন, সামাজিক বিজ্ঞানে ৮৩ জন, ভৌতবিজ্ঞানে ১০ জন, ব্যবসায় শিক্ষায় ৮ জন, ভূগোলে ৫৪ জন, চারুকলায় ৯২ জন, শারীরিক শিক্ষায় ৯৩ জন এবং কৃষিশিক্ষায় ৭২ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মাধ্যমিক পাশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে ৯ হাজার ৬শ ৮০ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এর মধ্যে ৬ হাজার ৮০০ জন পুরুষ ও ২ হাজার ৮৮০ জন নারীকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা
এসএসসি বা সমমান পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের ন্যূনতম জিপিএ থাকতে হবে ২ দশমিক ৫ অথবা সমমান থাকতে।

শারীরিক যোগ্যতা
পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি হতে হবে। এ ছাড়া উপজাতীয় কোটায় পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি হতে হবে। নারী প্রার্থীদের জন্য সব কোটায় উচ্চতা পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চি হতে হবে। প্রার্থীদের ওজন উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

বয়স
আবেদনের জন্য প্রার্থীদের বয়স ১ জুন ২০১৯ তারিখে ১৮ থেকে ২০ বছর (জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ২ জুন ২০০১ হতে সর্বোচ্চ ২ জুন ১৯৯৯) হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ১ জুন ২০১৯ তারিখে বয়স ১৮ হতে ৩২ বছর(জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ২ জুন ২০০১ হতে সর্বোচ্চ ২ জুন ১৯৮৭) পর্যন্ত হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সন্তানদের ক্ষেত্রে ১ জুন ২০১৯ তারিখে বয়স ১৮ হতে ২০ বছর (জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ২ জুন ২০০১ হতে সর্বোচ্চ ২ জুন ১৯৯৯ পর্যন্ত হতে হবে। বয়স গণনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এসএসসি/সমমানের সার্টিফিকেটে উল্লেখিত জন্ম তারিখই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। শুধু অবিবাহিত নারী ও পুরুষরা আবেদন করতে পারবেন।

কোটা পদ্ধতি

প্রার্থী নির্বচানে সরকার কর্তৃক জারিকৃত বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি (সাধারণ, মুক্তিযোদ্ধা, আনসার ও ভিডিপি, এতিম, পোষ্য এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ইত্যাদি কোটা) অনুসরণ করা হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি

(ক) প্রতি জেলায় নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শুন্য পদে কোটার অনুকূলে লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী প্রার্থীদের প্রাথমিকভা্বে নির্বাচিত করা হবে।

(খ) পুলিশ ভেরিফিকেশন সন্তোষজনক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যোগ্য বিবেচিত হলে প্রার্থীকে প্রশিক্ষনের জন্যে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হবে। উল্লেখ্য পুলিশ ভেরিফিকেশন ফর্মে কোন তথ্য গোপন অথবা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হলে চূড়ান্ত প্রশিক্ষণের জন্যে মনোনয়ন প্রদান করা হবে না।

বেতন ও ভাতা
প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সমাপ্তির পর ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ১৭ তম গ্রেড অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেয়া হবে সর্বসাকুল্যে নয় হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা। এ ছাড়া ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা দেয়া হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া
আগ্রহী প্রার্থীদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তারিখে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ লাইন্স মাঠে হাজির থাকতে হবে। আবেদনের সময় বিজ্ঞাপনে উল্লেখিত কাগজপত্র সঙ্গে আনতে হবে।

বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি দেখুন


ঢাকা ও চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় ৫৬টি কোম্পানি ৩০০ লোকবল নিয়োগের আশংখা

বিশ হাজারের অধিক বিভিন্ন ধরনের চাকরিপ্রার্থী অংশগ্রহন করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বুথে তাদের জীবন-বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। মেলার দ্বিতীয় দিনে আগামীকাল শুধুমাত্র অংশগ্রহন করা কোম্পানি কর্তৃক বাছাইকৃত আবেদনকারীদের মেলা প্রাঙ্গনে ইন্টারভিউ করা হবে।

এ মেলার মাধ্যমে তিন শতাধিক চাকরিপ্রার্থী তাদের কাঙ্খিত চাকরি খুঁজে পাবেন এবং কয়েক হাজার প্রার্থী ইন্টারভিউ দেওয়ার সুযোগ পাবে বলে আশা করছেন মেলার আয়োজক বিডিজবস ডট কমের পরিচালক, বিক্রয় ও বিপনন জনাব প্রকাশ রায় চৌধুরী।

আরও পড়ুন: বরগুনায় আবারও প্রাইমারি স্কুলের ছাদ ধস

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব এইচ এম সোহেল খান, বিডিজবসডট কমের চট্টগ্রাম অপারেশন হেড জনাব জমির হোসেন, এ জি এম জনাব ইমরুল কায়েস এবং মেলার সমন্বায়ক মোহাম্মদ আলী ফিরোজ।



»