ব্রেকিং নিউজ

পুলিশে চাকরি ৬ পদে

যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ৬টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৬ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: পুলিশ সুপারের কার্যালয়, যশোরপদের নাম: সাঁট লিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ০১ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান
বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ০২ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান
বেতন: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা
 
পদের নাম: কম্পাউন্ডার
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি/ফার্মাসিস্ট ডিপ্লোমা
বেতন: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

পদের নাম: ক্যাশিয়ার
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

পদের নাম: বিক্রয় সহকারী
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি/সমমান
বেতন: ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা

চাকরির ধরন: অস্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: জেলার স্থায়ী বাসিন্দা
বয়স: ০৬ জুন ২০১৯ তারিখে ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর
 
আবেদনের ঠিকানা: পুলিশ সুপার, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, কারবালা রোড, যশোর।

আবেদনের শেষ সময়: ০৬ জুন ২০১৯

পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া। সদর উপজেলা, গাইবান্ধা, ২৮ মে।

পুলিশের চাকরি পেতে কোনো টাকা-পয়সা লাগে না। জমিজমা বিক্রি করতে হবে না। মাত্র ১০৩ টাকায় পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি পাওয়া যাবে। এর মধ্যে ১০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট এবং ৩ টাকার ফরম কিনলেই হবে।

আজ মঙ্গলবার বিকেল সোয়া পাঁচটায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুর গরুর হাট চত্বরে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় গাইবান্ধার পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া এসব কথা বলেন। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।

আবদুল মান্নান বলেন, আগামী ২৯ জুন গাইবান্ধা পুলিশ লাইনস মাঠে কনস্টেবল পদে লোক নিয়োগ করা হবে। নিয়োগের সময় অনেকে প্রতারণার শিকার হন। তাঁরা পুলিশের চাকরির জন্য জমিজমা ও গরু-বাছুর বিক্রি করেন। চাকরির জন্য দালাল ধরেন। চাকরির জন্য দালালের বিষয়ে সাবধান করেন সুপার।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘চাকরি দেওয়ার কথা বলে দালালেরা আপনাদের জোর করলে তাদের পরিণতি হবে ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ীদের মতো। আপনারা এসব বিষয়ে পুলিশকে খবর দেবেন।’

এ সময় সুপার মান্নান সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘১০৩ টাকায় পুলিশে লোক নিয়োগের এই বার্তা আপনারা জেলার অন্যান্য এলাকায় পৌঁছে দেবেন। সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী লাইনে দাঁড়াবেন। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যোগ্যতা অনুযায়ী পুলিশে চাকরি পাওয়া যাবে।’

আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন গাইবান্ধা সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার। এর আগে পুলিশ সুপার নগদ অর্থ উত্তোলন ও পরিবহনে মানি এসকর্ট সেবার জন্য পুলিশের ফোন নম্বরসংবলিত একটি ফেস্টুন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘কয়েক দিন পরই ঈদ। ঈদ সামনে রেখে চুরি ছিনতাই বেড়ে যায়। নকল টাকার কারবারিরা তৎপর হয়ে ওঠে। তাদের কাছ থেকে আপনারা সাবধান থাকবেন। আপনাদের কোনো ভয় নেই। পুলিশ আপনাদের পাশে আছে, থাকবে। প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদের টাকা-পয়সা বহনে পুলিশ নিরাপত্তা দেবে। পাঁচ হাজার টাকা বহন করতেই আপনারা প্রয়োজনে পুলিশকে ফোন করতে পারেন।’

উল্লেখ্য, পুলিশ কনস্টেবল পদে গাইবান্ধায় জেলায় ১৪৪ জন লোক নিয়োগ করা হবে।

মাধ্যমিক পাশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে ৯ হাজার ৬শ ৮০ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এর মধ্যে ৬ হাজার ৮০০ জন পুরুষ ও ২ হাজার ৮৮০ জন নারীকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা
এসএসসি বা সমমান পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের ন্যূনতম জিপিএ থাকতে হবে ২ দশমিক ৫ অথবা সমমান থাকতে।

শারীরিক যোগ্যতা
পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি হতে হবে। এ ছাড়া উপজাতীয় কোটায় পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি হতে হবে। নারী প্রার্থীদের জন্য সব কোটায় উচ্চতা পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চি হতে হবে। প্রার্থীদের ওজন উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

বয়স
আবেদনের জন্য প্রার্থীদের বয়স ১ জুন ২০১৯ তারিখে ১৮ থেকে ২০ বছর (জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ২ জুন ২০০১ হতে সর্বোচ্চ ২ জুন ১৯৯৯) হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ১ জুন ২০১৯ তারিখে বয়স ১৮ হতে ৩২ বছর(জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ২ জুন ২০০১ হতে সর্বোচ্চ ২ জুন ১৯৮৭) পর্যন্ত হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সন্তানদের ক্ষেত্রে ১ জুন ২০১৯ তারিখে বয়স ১৮ হতে ২০ বছর (জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ২ জুন ২০০১ হতে সর্বোচ্চ ২ জুন ১৯৯৯ পর্যন্ত হতে হবে। বয়স গণনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এসএসসি/সমমানের সার্টিফিকেটে উল্লেখিত জন্ম তারিখই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। শুধু অবিবাহিত নারী ও পুরুষরা আবেদন করতে পারবেন।

কোটা পদ্ধতি

প্রার্থী নির্বচানে সরকার কর্তৃক জারিকৃত বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি (সাধারণ, মুক্তিযোদ্ধা, আনসার ও ভিডিপি, এতিম, পোষ্য এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ইত্যাদি কোটা) অনুসরণ করা হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি

(ক) প্রতি জেলায় নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শুন্য পদে কোটার অনুকূলে লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী প্রার্থীদের প্রাথমিকভা্বে নির্বাচিত করা হবে।

(খ) পুলিশ ভেরিফিকেশন সন্তোষজনক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যোগ্য বিবেচিত হলে প্রার্থীকে প্রশিক্ষনের জন্যে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হবে। উল্লেখ্য পুলিশ ভেরিফিকেশন ফর্মে কোন তথ্য গোপন অথবা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হলে চূড়ান্ত প্রশিক্ষণের জন্যে মনোনয়ন প্রদান করা হবে না।

বেতন ও ভাতা
প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সমাপ্তির পর ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ১৭ তম গ্রেড অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেয়া হবে সর্বসাকুল্যে নয় হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা। এ ছাড়া ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা দেয়া হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া
আগ্রহী প্রার্থীদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তারিখে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ লাইন্স মাঠে হাজির থাকতে হবে। আবেদনের সময় বিজ্ঞাপনে উল্লেখিত কাগজপত্র সঙ্গে আনতে হবে।

বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি দেখুন



»