ব্রেকিং নিউজ

পল্লি চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী!

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় সাইফুল ইসলাম (২৮) নামের এক পল্লি চিকিৎসক স্কুলছাত্রীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর পেটে ব্যথা শুরু হলে তাকে সাইফুলের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। মেয়েটিকে কিছু ওষুধ দিয়ে পরদিন আবার যেতে বলেন সাইফুল। রোববার
(২১ এপ্রিল) সকালে মেয়েটি একাই সাইফুলের কাছে গেলে ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে তাকে ধর্ষণ করেন সাইফুল। এ সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে মেয়েটিকে রেখে পালিয়ে যায় সাইফুল। বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা খুঁজে বের করে বিস্তারিত শুনে চিকিৎসার জন্য প্রথমে জীবননগর হাসপাতাল ও পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহেশপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহিনুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়ে রাতেই অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ৩০ মার্চ রাত পৌনে ১২টায়, বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার এক গ্রামে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশ মত গত রোববার (৭ এপ্রিল ) আদমদীঘি থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করে।

আসামিরা হলেন উপজেলার বানিয়াগাড়ী গ্রামের ইউনুছ আলী, ফারুক প্রাং ও জাহিদুল ইসলাম। তবে আজ সকাল (৯ এপ্রিল ) এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হননি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ এক সন্তানের জননী। তাঁর স্বামী ঢাকায় রিকশা চালান। তাঁদের একমাত্র ছেলেসন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ স্বামীর বাড়িতে বসবাস করেন। এই প্রেক্ষাপটে আসামিরা নানা সময় গৃহবধূকে একাধিকবার কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। একপর্যায়ে গৃহবধূ বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যদের জানান। এতে আসামিরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এর জেরে ৩০ মার্চ রাত পৌনে ১২টার সময় ইউনুছ, ফারুক ও ইসলাম দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে জিম্মি করেন। পরে তাঁরা গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। যাওয়ার সময় গৃহবধূর গলায় ও কানে থাকা সোনার অলংকার ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে ৩ এপ্রিল বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করার আদেশ দেন।

জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদমদীঘি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাজ্জাক বলেন, গত রোববার মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা চলছে।



»